০২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কেশবপুরে জনতা ব্যাংক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড:

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৫৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪২

যশোরের কেশবপুর শহরের মধু সড়কে অবস্থিত জনতা ব্যাংক ভবনের তৃতীয় তলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে পাশাপাশি দুটি বাসাবাড়িতে এই আগুন লাগে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও দুই পরিবারের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন—উপজেলার আলতাপোল গ্রামের মৃত জাহান বক্স সরদারের ছেলে এমদাদুল হক এবং মৃত আব্দুল ওহাব গাজীর ছেলে এমরান হোসেন। তারা ওই ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
ক্ষতিগ্রস্ত এমরান হোসেন জানান, দুপুরে তিনি ভবনের নিচতলায় নিজের দোকানে কাজ করছিলেন। পাশের এক দোকানদারের চিৎকার শুনে উপরে গিয়ে দেখেন তার ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় তিনি ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করতে পারেননি। এতে তার প্রায় ২ লাখ টাকার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অপর ক্ষতিগ্রস্ত এমদাদুল হক জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি বাসায় ছিলেন না। খবর পেয়ে দ্রুত ফিরে আসলেও ততক্ষণে আগুনের লেলিহান শিখায় তার ঘরের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তার দাবি অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ লাখ টাকা।ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতা
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় এক ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান:
> “আগুনের প্রকৃত সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।”
>

স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায় জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ, বাংলাদেশে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা

কেশবপুরে জনতা ব্যাংক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড:

আপডেট: ০৫:৫৬:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

যশোরের কেশবপুর শহরের মধু সড়কে অবস্থিত জনতা ব্যাংক ভবনের তৃতীয় তলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর ১টার দিকে পাশাপাশি দুটি বাসাবাড়িতে এই আগুন লাগে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও দুই পরিবারের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন—উপজেলার আলতাপোল গ্রামের মৃত জাহান বক্স সরদারের ছেলে এমদাদুল হক এবং মৃত আব্দুল ওহাব গাজীর ছেলে এমরান হোসেন। তারা ওই ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
ক্ষতিগ্রস্ত এমরান হোসেন জানান, দুপুরে তিনি ভবনের নিচতলায় নিজের দোকানে কাজ করছিলেন। পাশের এক দোকানদারের চিৎকার শুনে উপরে গিয়ে দেখেন তার ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় তিনি ঘর থেকে কোনো মালামাল বের করতে পারেননি। এতে তার প্রায় ২ লাখ টাকার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অপর ক্ষতিগ্রস্ত এমদাদুল হক জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি বাসায় ছিলেন না। খবর পেয়ে দ্রুত ফিরে আসলেও ততক্ষণে আগুনের লেলিহান শিখায় তার ঘরের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তার দাবি অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ লাখ টাকা।ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতা
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় এক ঘণ্টার নিরলস প্রচেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান:
> “আগুনের প্রকৃত সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।”
>

স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকদেব রায় জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।