০২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ সুদানে ভোরে ভয়াবহ হামলা: শিশুসহ ১৬৯ জনকে হত্যা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:১৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪২

দক্ষিণ সুদানের উত্তরাঞ্চলীয় রুয়েং প্রশাসনিক এলাকায় একদল সশস্ত্র যুবকের অতর্কিত হামলায় অন্তত ১৬৯ জন নিহত হয়েছেন। রোববার ভোররাতে চালানো এই নৃশংস হামলায় আরও ৫০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ভয়াবহ এই হামলায় নিহতের তালিকায় বড় একটি অংশই অরক্ষিত বেসামরিক নাগরিক। নিহত ১৬৯ জনের মধ্যে ৯০ জনই শিশু, নারী ও বৃদ্ধ। বাকি ৭৯ জন আঞ্চলিক পুলিশ বাহিনীর সদস্য বলে জানা গেছে। অধিকাংশ মানুষ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক সেই মুহূর্তেই হামলাকারীরা তান্ডব চালায়।

রুয়েং প্রশাসনিক এলাকার তথ্যমন্ত্রী জেমস মনিলুয়াক মিজোক দাবি করেছেন, হামলাকারীরা পার্শ্ববর্তী ইউনিটি স্টেট থেকে এসেছিল। তারা ‘সুদান পিপলস লিবারেশন আর্মি ইন অপোজিশন’ (SPLA-IO)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত।
তবে এসপিএলএ-আইও এই অভিযোগ কঠোরভাবে অস্বীকার করেছে। তাদের পাল্টা দাবি, ইউনিটি অঙ্গরাজ্যের কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে এই সহিংসতাকে ব্যবহার করছে।

তথ্যমন্ত্রী মিজোকের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি রুয়েংয়ের আবিয়েমনম কাউন্টিতে প্রবেশ করে। মানুষজন সম্পূর্ণ ‘অপ্রস্তুত’ থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা এত বেশি হয়েছে। হামলার ধরন দেখে একে পরিকল্পিত গণহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দক্ষিণ সুদানে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যকার সংঘাত সম্প্রতি চরম আকার ধারণ করেছে। এর আগে জাতিসংঘ সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশটি আবারও পূর্ণমাত্রার গৃহযুদ্ধের কবলে পড়তে পারে। রোববারের এই হামলা সেই আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিল।

সর্বাধিক পঠিত

আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ, বাংলাদেশে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা

দক্ষিণ সুদানে ভোরে ভয়াবহ হামলা: শিশুসহ ১৬৯ জনকে হত্যা

আপডেট: ১২:১৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

দক্ষিণ সুদানের উত্তরাঞ্চলীয় রুয়েং প্রশাসনিক এলাকায় একদল সশস্ত্র যুবকের অতর্কিত হামলায় অন্তত ১৬৯ জন নিহত হয়েছেন। রোববার ভোররাতে চালানো এই নৃশংস হামলায় আরও ৫০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ভয়াবহ এই হামলায় নিহতের তালিকায় বড় একটি অংশই অরক্ষিত বেসামরিক নাগরিক। নিহত ১৬৯ জনের মধ্যে ৯০ জনই শিশু, নারী ও বৃদ্ধ। বাকি ৭৯ জন আঞ্চলিক পুলিশ বাহিনীর সদস্য বলে জানা গেছে। অধিকাংশ মানুষ যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক সেই মুহূর্তেই হামলাকারীরা তান্ডব চালায়।

রুয়েং প্রশাসনিক এলাকার তথ্যমন্ত্রী জেমস মনিলুয়াক মিজোক দাবি করেছেন, হামলাকারীরা পার্শ্ববর্তী ইউনিটি স্টেট থেকে এসেছিল। তারা ‘সুদান পিপলস লিবারেশন আর্মি ইন অপোজিশন’ (SPLA-IO)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত।
তবে এসপিএলএ-আইও এই অভিযোগ কঠোরভাবে অস্বীকার করেছে। তাদের পাল্টা দাবি, ইউনিটি অঙ্গরাজ্যের কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে এই সহিংসতাকে ব্যবহার করছে।

তথ্যমন্ত্রী মিজোকের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি রুয়েংয়ের আবিয়েমনম কাউন্টিতে প্রবেশ করে। মানুষজন সম্পূর্ণ ‘অপ্রস্তুত’ থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা এত বেশি হয়েছে। হামলার ধরন দেখে একে পরিকল্পিত গণহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দক্ষিণ সুদানে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যকার সংঘাত সম্প্রতি চরম আকার ধারণ করেছে। এর আগে জাতিসংঘ সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশটি আবারও পূর্ণমাত্রার গৃহযুদ্ধের কবলে পড়তে পারে। রোববারের এই হামলা সেই আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিল।