যশোরের কাশিমপুর দফাদারপাড়ায় রহিম বিশ্বাস (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্যের দানা বেঁধেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে ‘আত্মহত্যা’ দাবি করা হলেও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকায় এটি ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ হতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
নিহত রহিম বিশ্বাস ওই গ্রামের আরমান বিশ্বাসের ছেলে। পরিবারের দাবি, শনিবার ভোররাতে রহিম তার ঘরে মাফলার পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। তবে স্থানীয় সূত্রের দাবি, রহিমের ঠোঁট ফোলা ছিল এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে মারধরের পর মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। শনিবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
: প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে নিহতের বাবা আরমান বিশ্বাস ও তার বড় ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।: আরমান বিশ্বাস থানায় একটি অপমৃত্যুর অভিযোগ দিয়েছেন, যেখানে তিনি ছেলের মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
স্বজন ও প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রহিম দীর্ঘদিন ধরে বাবার কাছে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় বাবা তাকে অপেক্ষা করতে বলেন। ঘটনার রাতে এই বিষয় নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও মনোমালিন্য হয়েছিল বলে জানা গেছে।> “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
— ফারুক আহমেদ, অফিসার ইনচার্জ (ওসি), যশোর কোতোয়ালী থানা।




















