০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে মাদ্রাসা ভাঙতে বাধা দেওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৪১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫১

যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া ইউনিয়নের মুনসেবপুর গ্রামে একটি মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ভাঙচুরে বাধা দিতে গিয়ে আব্দুল রশিদ মোল্লা (৬৫) নামের এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য (ওয়ারেন্ট অফিসার) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

বুধবার দুপুরে মুনসেবপুর গ্রামের ‘দেবদাদাই মাদ্রাসা’ ভাঙার চেষ্টা চালায় একটি পক্ষ। ওই মাদ্রাসার দেখভালের দায়িত্বে থাকা আব্দুল রশিদ মোল্লা বাধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষ ইব্রাহিম মোল্লা ও তার সহযোগীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, একপর্যায়ে ইব্রাহিম মোল্লা ধারালো হাসুয়া দিয়ে আব্দুল রশিদের গলায় কোপ মারেন।
আহত ও অভিযুক্তদের পরিচয়
আব্দুল রশিদ মোল্লা (৬৫), পিতা- মৃত মোতালেব মোল্লা (সাবেক চেয়ারম্যান)। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার।
* অভিযুক্ত: মালেক মোল্লার ছেলে ইব্রাহিম মোল্লা। হামলায় তার সঙ্গে ইউসুফ, বুলবুল ও হাবিবসহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তদের একটি অংশ রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আব্দুল রশিদের শ্বাসনালীর কাছাকাছি গুরুতর জখম হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
> “মূলত মাদ্রাসা দখল বা ভাঙাকে কেন্দ্র করেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।”

যশোর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযুক্তদের আটকে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন।

সর্বাধিক পঠিত

প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন নেতানিয়াহু,

যশোরে মাদ্রাসা ভাঙতে বাধা দেওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে গলাকেটে হত্যার চেষ্টা

আপডেট: ০৫:৪১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া ইউনিয়নের মুনসেবপুর গ্রামে একটি মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ভাঙচুরে বাধা দিতে গিয়ে আব্দুল রশিদ মোল্লা (৬৫) নামের এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য (ওয়ারেন্ট অফিসার) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

বুধবার দুপুরে মুনসেবপুর গ্রামের ‘দেবদাদাই মাদ্রাসা’ ভাঙার চেষ্টা চালায় একটি পক্ষ। ওই মাদ্রাসার দেখভালের দায়িত্বে থাকা আব্দুল রশিদ মোল্লা বাধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষ ইব্রাহিম মোল্লা ও তার সহযোগীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, একপর্যায়ে ইব্রাহিম মোল্লা ধারালো হাসুয়া দিয়ে আব্দুল রশিদের গলায় কোপ মারেন।
আহত ও অভিযুক্তদের পরিচয়
আব্দুল রশিদ মোল্লা (৬৫), পিতা- মৃত মোতালেব মোল্লা (সাবেক চেয়ারম্যান)। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার।
* অভিযুক্ত: মালেক মোল্লার ছেলে ইব্রাহিম মোল্লা। হামলায় তার সঙ্গে ইউসুফ, বুলবুল ও হাবিবসহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তদের একটি অংশ রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আব্দুল রশিদের শ্বাসনালীর কাছাকাছি গুরুতর জখম হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
> “মূলত মাদ্রাসা দখল বা ভাঙাকে কেন্দ্র করেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।”

যশোর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযুক্তদের আটকে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন।