১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোংলার লোকালয় থেকে চিত্রা হরিণ উদ্ধার,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৪

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার তেলিখালী এলাকা থেকে একটি পূর্ণবয়স্ক চিত্রা হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় গ্রামবাসীর সহায়তায় বনবিভাগের সদস্যরা হরিণটি উদ্ধার করে পুনরায় সুন্দরবনে অবমুক্ত করেন।

পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) দীপন চন্দ্র দাস জানান, সকালে তেলিখালী গ্রামে একটি হরিণকে ছোটাছুটি করতে দেখে স্থানীয়রা বনবিভাগকে খবর দেয়। বনকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হরিণটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন। হরিণটি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকায় প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে সেটিকে আবারো বনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
নদী পার নাকি চোরা শিকারিদের কাজ?
হরিণটি কীভাবে লোকালয়ে এলো, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বনবিভাগের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে:
* স্থানীয়দের দাবি: গ্রামবাসীর মতে, পশুর নদী সাঁতরে হরিণটি রোববার কোনো এক সময় তেলিখালী এলাকায় চলে আসে।
* বনবিভাগের সন্দেহ: তবে বন কর্মকর্তা দীপন চন্দ্র দাস এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এত বড় পশুর নদী পাড়ি দিয়ে একটি হরিণের পক্ষে লোকালয়ে আসা প্রায় অসম্ভব।”
বনবিভাগের প্রাথমিক ধারণা, চোরা শিকারিরা সুন্দরবন থেকে হরিণটি শিকার করে লোকালয়ে নিয়ে এসেছিল। পথে জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে বা লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা হরিণটিকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে বনবিভাগ। চোরা শিকারিদের কোনো চক্র এর পেছনে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সর্বাধিক পঠিত

বিলুপ্ত হচ্ছে ‘র‌্যাব’ নাম: নতুন পরিচয় ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স

মোংলার লোকালয় থেকে চিত্রা হরিণ উদ্ধার,

আপডেট: ০৬:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার তেলিখালী এলাকা থেকে একটি পূর্ণবয়স্ক চিত্রা হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় গ্রামবাসীর সহায়তায় বনবিভাগের সদস্যরা হরিণটি উদ্ধার করে পুনরায় সুন্দরবনে অবমুক্ত করেন।

পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) দীপন চন্দ্র দাস জানান, সকালে তেলিখালী গ্রামে একটি হরিণকে ছোটাছুটি করতে দেখে স্থানীয়রা বনবিভাগকে খবর দেয়। বনকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হরিণটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন। হরিণটি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকায় প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে সেটিকে আবারো বনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
নদী পার নাকি চোরা শিকারিদের কাজ?
হরিণটি কীভাবে লোকালয়ে এলো, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বনবিভাগের মধ্যে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে:
* স্থানীয়দের দাবি: গ্রামবাসীর মতে, পশুর নদী সাঁতরে হরিণটি রোববার কোনো এক সময় তেলিখালী এলাকায় চলে আসে।
* বনবিভাগের সন্দেহ: তবে বন কর্মকর্তা দীপন চন্দ্র দাস এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এত বড় পশুর নদী পাড়ি দিয়ে একটি হরিণের পক্ষে লোকালয়ে আসা প্রায় অসম্ভব।”
বনবিভাগের প্রাথমিক ধারণা, চোরা শিকারিরা সুন্দরবন থেকে হরিণটি শিকার করে লোকালয়ে নিয়ে এসেছিল। পথে জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে বা লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা হরিণটিকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে বনবিভাগ। চোরা শিকারিদের কোনো চক্র এর পেছনে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।