০৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তানের সন্ত্রাসী হামলাই ৯৯ জঙ্গি নিহত, ১০ সেনার মৃত্যু

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬৭

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে বড় ধরনের এক সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা নস্যাৎ করে দিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে রাজ্যের ১২টি ভিন্ন স্থানে একযোগে চালানো এই হামলাগুলো অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিহত করা হয়। গত ৪৮ ঘণ্টার এই রক্তক্ষয়ী অভিযানে ৯৯ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নিরাপত্তা সূত্র।

সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করতে গিয়ে পাকিস্তানের ১০ জন নিরাপত্তা কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। জঙ্গিদের এই নৃশংসতা কেবল নিরাপত্তা বাহিনীর ওপরই সীমাবদ্ধ ছিল না; খুজদার এলাকায় তারা নিরীহ সাধারণ মানুষের ওপরও হামলা চালায়। সেখানে একই পরিবারের এক নারী ও তিন শিশুসহ মোট পাঁচজনকে হত্যা করেছে জঙ্গিরা। এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই হামলার নেপথ্যে ছিল ‘ফিতনা-উল-হিন্দুস্তান’ নামক একটি জঙ্গি গোষ্ঠী। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি, এই অভিযানের সময় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অংশ সরাসরি জঙ্গিদের সমর্থনে প্রচারণা চালিয়েছে, যা এই গোষ্ঠীর সঙ্গে নির্দিষ্ট মহলের যোগসূত্রকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নিরাপত্তা বাহিনীর এই বীরত্বপূর্ণ অভিযানের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই চলবে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি এবং ফেডারেল মন্ত্রী আবদুল আলীম খান নিহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নাগরিকদের জানমালের সুরক্ষায় পাকিস্তান কোনো প্রকার আপস করবে না।

পলায়নরত জঙ্গিদের ধরতে বর্তমানে বেলুচিস্তানের দুর্গম এলাকাগুলোতে স্থল ও আকাশপথে ব্যাপক ‘চিরুনি অভিযান’ চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। পুরো এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা সাময়িক স্থগিত

পাকিস্তানের সন্ত্রাসী হামলাই ৯৯ জঙ্গি নিহত, ১০ সেনার মৃত্যু

আপডেট: ০৭:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে বড় ধরনের এক সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা নস্যাৎ করে দিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে রাজ্যের ১২টি ভিন্ন স্থানে একযোগে চালানো এই হামলাগুলো অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিহত করা হয়। গত ৪৮ ঘণ্টার এই রক্তক্ষয়ী অভিযানে ৯৯ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নিরাপত্তা সূত্র।

সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করতে গিয়ে পাকিস্তানের ১০ জন নিরাপত্তা কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। জঙ্গিদের এই নৃশংসতা কেবল নিরাপত্তা বাহিনীর ওপরই সীমাবদ্ধ ছিল না; খুজদার এলাকায় তারা নিরীহ সাধারণ মানুষের ওপরও হামলা চালায়। সেখানে একই পরিবারের এক নারী ও তিন শিশুসহ মোট পাঁচজনকে হত্যা করেছে জঙ্গিরা। এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই হামলার নেপথ্যে ছিল ‘ফিতনা-উল-হিন্দুস্তান’ নামক একটি জঙ্গি গোষ্ঠী। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি, এই অভিযানের সময় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অংশ সরাসরি জঙ্গিদের সমর্থনে প্রচারণা চালিয়েছে, যা এই গোষ্ঠীর সঙ্গে নির্দিষ্ট মহলের যোগসূত্রকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ নিরাপত্তা বাহিনীর এই বীরত্বপূর্ণ অভিযানের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদ পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই চলবে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি এবং ফেডারেল মন্ত্রী আবদুল আলীম খান নিহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং নাগরিকদের জানমালের সুরক্ষায় পাকিস্তান কোনো প্রকার আপস করবে না।

পলায়নরত জঙ্গিদের ধরতে বর্তমানে বেলুচিস্তানের দুর্গম এলাকাগুলোতে স্থল ও আকাশপথে ব্যাপক ‘চিরুনি অভিযান’ চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। পুরো এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।