০৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বহিরাগতদের কান ধরিয়ে ওঠবস: শোকজের জবাব দিয়ে ক্ষমা চাইলেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৭

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠে বহিরাগত শিশু-কিশোরদের কান ধরিয়ে ওঠবস করানোর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া কারণ দর্শানোর (শোকজ) জবাব দিয়েছেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় সর্বমিত্র চাকমা কয়েকজন কিশোর ও তরুণকে লাইনে দাঁড় করিয়ে কান ধরিয়ে ওঠবস করাচ্ছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। একজন ডাকসু সদস্যের এভাবে প্রক্টরিয়াল ক্ষমতা হাতে তুলে নেওয়া এবং শিশু-কিশোরদের হেনস্তা করা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

শোকজের জবাবে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা তার অবস্থানের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার দাবি:
নিরাপত্তা ঝুঁকি: শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশের ফলে নারী শিক্ষার্থীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এছাড়া মোবাইল, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।
প্রশাসনিক ব্যর্থতা: বিষয়টি বারবার প্রশাসনকে জানালেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি মাঠটি এখনো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি।
* পরিস্থিতির চাপ: প্রশাসনের নির্লিপ্ততার কারণে তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়েছিলেন। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, এভাবে শাস্তি দেওয়া তার উচিত হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সাইফুদ্দীন আহমেদ নিশ্চিত করেছেন যে সর্বমিত্র চাকমা শোকজের জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, “তার দেওয়া জবাবটি মূলত ফেসবুক পোস্টের মতোই দুঃখ প্রকাশমূলক (অ্যাপোলজেটিক্যাল)।”
তবে বিষয়টি কেবল ক্ষমা চাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। প্রক্টর আরও জানান:
বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ (ল বডি) আলোচনা করবে।
শিশু নির্যাতনের বিষয় থাকায় ইউনিসেফ এবং শিশু অধিদপ্তর-এর সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা সাময়িক স্থগিত

বহিরাগতদের কান ধরিয়ে ওঠবস: শোকজের জবাব দিয়ে ক্ষমা চাইলেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র

আপডেট: ০৬:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠে বহিরাগত শিশু-কিশোরদের কান ধরিয়ে ওঠবস করানোর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া কারণ দর্শানোর (শোকজ) জবাব দিয়েছেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় সর্বমিত্র চাকমা কয়েকজন কিশোর ও তরুণকে লাইনে দাঁড় করিয়ে কান ধরিয়ে ওঠবস করাচ্ছেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। একজন ডাকসু সদস্যের এভাবে প্রক্টরিয়াল ক্ষমতা হাতে তুলে নেওয়া এবং শিশু-কিশোরদের হেনস্তা করা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

শোকজের জবাবে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে সর্বমিত্র চাকমা তার অবস্থানের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার দাবি:
নিরাপত্তা ঝুঁকি: শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশের ফলে নারী শিক্ষার্থীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এছাড়া মোবাইল, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।
প্রশাসনিক ব্যর্থতা: বিষয়টি বারবার প্রশাসনকে জানালেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি মাঠটি এখনো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি।
* পরিস্থিতির চাপ: প্রশাসনের নির্লিপ্ততার কারণে তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়েছিলেন। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, এভাবে শাস্তি দেওয়া তার উচিত হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সাইফুদ্দীন আহমেদ নিশ্চিত করেছেন যে সর্বমিত্র চাকমা শোকজের জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, “তার দেওয়া জবাবটি মূলত ফেসবুক পোস্টের মতোই দুঃখ প্রকাশমূলক (অ্যাপোলজেটিক্যাল)।”
তবে বিষয়টি কেবল ক্ষমা চাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। প্রক্টর আরও জানান:
বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ (ল বডি) আলোচনা করবে।
শিশু নির্যাতনের বিষয় থাকায় ইউনিসেফ এবং শিশু অধিদপ্তর-এর সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে।