০৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে ভারত ও রাশিয়ার বিশাল যৌথ নৌ-মহড়া

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৩৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে বঙ্গোপসাগরে যৌথ সামরিক মহড়া দিতে যাচ্ছে ভারত ও রাশিয়া। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ‘মিলান ২০২৬ নাভাল এক্সারসাইজ’ শীর্ষক এই মহড়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে রাশিয়ার অত্যাধুনিক ও শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ অংশ নেবে বলে নিশ্চিত করেছে রুশ সংবাদমাধ্যম তাস (TASS)।

রাশিয়ান মেরিটাইম বোর্ডের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই মহড়ায় অংশ নিতে রাশিয়ার প্যাসিফিক ফ্লিটের অন্যতম গর্ব ‘ফ্রিগেট মার্শাল শাপোশনিকভ’ ইতোমধ্যেই ওমানের মাস্কাট বন্দর পার হয়ে বঙ্গোপসাগরের পথে রওনা হয়েছে। বিশাল আকৃতির এই রণতরীটি রাশিয়ার নৌবাহিনীর অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র, যা একই সাথে:
দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম।
সাবমেরিন বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারদর্শী।
সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টহলের কাজে নিয়োজিত এই যুদ্ধজাহাজটি মহড়া শেষে ১৮ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভারতের বিশাখাপত্তনম বন্দরে পৌঁছাবে।

বঙ্গোপসাগরের এই মহড়াটি কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। গত বছরের অক্টোবরেই ভারতীয় নৌবাহিনীর ভাইস চিফ অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎসায়ন ২০২৬ সালের এই মহড়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এই আয়োজনকে দেখা হচ্ছে।
বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্ব
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বঙ্গোপসাগরের মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভারত ও রাশিয়ার এই যৌথ মহড়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি কেবল সামরিক শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা সম্পর্কের এক নতুন ধাপ।

সর্বাধিক পঠিত

মাগুরায় বসে যশোরে মাদকের জাল: নেপথ্যে রহস্যময়ী জেরিন

বঙ্গোপসাগরে ভারত ও রাশিয়ার বিশাল যৌথ নৌ-মহড়া

আপডেট: ০৭:৩৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক |
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে বঙ্গোপসাগরে যৌথ সামরিক মহড়া দিতে যাচ্ছে ভারত ও রাশিয়া। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ‘মিলান ২০২৬ নাভাল এক্সারসাইজ’ শীর্ষক এই মহড়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে রাশিয়ার অত্যাধুনিক ও শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ অংশ নেবে বলে নিশ্চিত করেছে রুশ সংবাদমাধ্যম তাস (TASS)।

রাশিয়ান মেরিটাইম বোর্ডের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই মহড়ায় অংশ নিতে রাশিয়ার প্যাসিফিক ফ্লিটের অন্যতম গর্ব ‘ফ্রিগেট মার্শাল শাপোশনিকভ’ ইতোমধ্যেই ওমানের মাস্কাট বন্দর পার হয়ে বঙ্গোপসাগরের পথে রওনা হয়েছে। বিশাল আকৃতির এই রণতরীটি রাশিয়ার নৌবাহিনীর অন্যতম শক্তিশালী অস্ত্র, যা একই সাথে:
দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম।
সাবমেরিন বিধ্বংসী গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারদর্শী।
সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টহলের কাজে নিয়োজিত এই যুদ্ধজাহাজটি মহড়া শেষে ১৮ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভারতের বিশাখাপত্তনম বন্দরে পৌঁছাবে।

বঙ্গোপসাগরের এই মহড়াটি কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। গত বছরের অক্টোবরেই ভারতীয় নৌবাহিনীর ভাইস চিফ অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎসায়ন ২০২৬ সালের এই মহড়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এই আয়োজনকে দেখা হচ্ছে।
বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্ব
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বঙ্গোপসাগরের মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভারত ও রাশিয়ার এই যৌথ মহড়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি কেবল সামরিক শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা সম্পর্কের এক নতুন ধাপ।