দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে দ্রুতই যশোরে পা রাখতে পারেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে যশোর জেলা জুড়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়েছে। দলের খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের এক ঘোষণায় এই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার যশোর শহর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের জন্য সুখবর আছে। কয়েকদিনের মধ্যেই আপনাদের প্রিয় নেতা যশোরে আসবেন। আপনারা কি তাকে দেখতে যাবেন না?” এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা সমস্বরে ‘হ্যাঁ’ বলে সমর্থন জানান। অমিত আরও আহ্বান জানান যেন তৃণমূলের প্রতিটি ঘরে ঘরে তারেক রহমানের সালাম পৌঁছে দেওয়া হয়।
সম্ভাব্য তারিখ ও প্রস্তুতি
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবে দলীয় সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে যে—আগামী ২ ফেব্রুয়ারি তিনি যশোরে আসতে পারেন।
* সম্ভাব্য ভেন্যু: যশোর শহরের উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠকে প্রাথমিকভাবে সমাবেশের স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
* নেতৃবৃন্দের বক্তব্য: জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানান, ২ ফেব্রুয়ারির খবরটি শোনা গেলেও তা এখনো নিশ্চিত নয়। অন্যদিকে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত স্পষ্ট করেছেন যে, তারেক রহমান যশোরে আসার কথা দিয়েছেন, তবে চূড়ান্ত সূচি কেন্দ্রীয়ভাবে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানানো হবে।
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান যশোর সফর করে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর পরপরই তারেক রহমানের এই সম্ভাব্য সফর নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সফর বিএনপির রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং বড় ধরনের জনসমাগমের মধ্য দিয়ে শক্তি প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি হবে।
তারেক রহমানকে একনজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে দিন গুনছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। তাঁদের মতে, প্রিয় নেতার এই সফর আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যশোরবাসীকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করবে।





















