০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

আগে একাত্তরের জন্য ক্ষমা চান, তারপর ভোট চান’: ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৯

নির্বাচনী প্রতিপক্ষের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী এ দেশে অমানুষিক অত্যাচার চালিয়েছে, ঘরবাড়ি পুড়িয়েছে। সেই সময় কারা তাদের সহযোগিতা করেছিল, তা সবার জানা। তাই আগে একাত্তরের সেই ভূমিকার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চান, তারপর ভোট চাইতে আসুন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চণ্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, “হাসিনার আমলে আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারিনি। তারা দেশ ছেড়ে পালানোর পরই প্রকৃত উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। শুধু আয় বাড়লেই উন্নয়ন হয় না, মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হলেই প্রকৃত উন্নয়ন হয়। আমাদের লক্ষ্য কৃষি ও কৃষকের উন্নতি করা, কারণ কৃষির উন্নতিতেই দেশের সমৃদ্ধি।”

বিএনপি মহাসচিব দৃঢ়তার সাথে বলেন, আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। তিনি বলেন, “তারেক রহমানকে ১৮ বছর দেশে আসতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু তিনি যেদিন ফিরলেন, দেশ এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হলো। তিনি দেশের জন্য এক মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।”
তারেক রহমানের প্রতিশ্রুত উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে ফখরুল বলেন:
: মায়েদের জীবনমান উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।
: কৃষকদের জন্য সহজলভ্য সার ও বীজ নিশ্চিত করতে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে।: বেকারত্ব দূর করতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
সঠিক সিদ্ধান্তের আহ্বান
ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, “আগামী নির্বাচনে যদি আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারি, তবে বড় ভুল হয়ে যাবে। দেশের মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষের বিকল্প নেই।”
গণসংযোগে স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নেতাকর্মীদের স্লোগান ও উপস্থিতিতে চণ্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।

সর্বাধিক পঠিত

মাগুরায় বসে যশোরে মাদকের জাল: নেপথ্যে রহস্যময়ী জেরিন

আগে একাত্তরের জন্য ক্ষমা চান, তারপর ভোট চান’: ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

আপডেট: ০২:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী প্রতিপক্ষের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী এ দেশে অমানুষিক অত্যাচার চালিয়েছে, ঘরবাড়ি পুড়িয়েছে। সেই সময় কারা তাদের সহযোগিতা করেছিল, তা সবার জানা। তাই আগে একাত্তরের সেই ভূমিকার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চান, তারপর ভোট চাইতে আসুন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চণ্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, “হাসিনার আমলে আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারিনি। তারা দেশ ছেড়ে পালানোর পরই প্রকৃত উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। শুধু আয় বাড়লেই উন্নয়ন হয় না, মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হলেই প্রকৃত উন্নয়ন হয়। আমাদের লক্ষ্য কৃষি ও কৃষকের উন্নতি করা, কারণ কৃষির উন্নতিতেই দেশের সমৃদ্ধি।”

বিএনপি মহাসচিব দৃঢ়তার সাথে বলেন, আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। তিনি বলেন, “তারেক রহমানকে ১৮ বছর দেশে আসতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু তিনি যেদিন ফিরলেন, দেশ এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হলো। তিনি দেশের জন্য এক মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।”
তারেক রহমানের প্রতিশ্রুত উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে ফখরুল বলেন:
: মায়েদের জীবনমান উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।
: কৃষকদের জন্য সহজলভ্য সার ও বীজ নিশ্চিত করতে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে।: বেকারত্ব দূর করতে ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
সঠিক সিদ্ধান্তের আহ্বান
ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, “আগামী নির্বাচনে যদি আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারি, তবে বড় ভুল হয়ে যাবে। দেশের মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষের বিকল্প নেই।”
গণসংযোগে স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নেতাকর্মীদের স্লোগান ও উপস্থিতিতে চণ্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।