ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৯ জানুয়ারি নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্ত সংস্থা সিআইডি তা দাখিল করতে না পারায় নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের এই আদেশ প্রদান করেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
ডিবি’র চার্জশিটে বাদীর নারাজি
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছিল। তবে সেই তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন মামলার বাদী। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন।
ডিবির দাখিল করা চার্জশিটে মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের বর্তমান অবস্থা নিম্নরূপ:
কারাগারে রয়েছেন (১১ জন): প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা ও শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদসহ মোট ১১ জন।
পলাতক রয়েছেন (৬ জন): প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল, তার সহযোগী আলমগীর হোসেন, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম বাপ্পি, ফিলিপ স্মাল পিলিপস, মুক্তি আক্তার ও জেসমিন আক্তার।
আইনজীবীদের ধারণা, সিআইডির অধিকতর তদন্তে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা মাস্টারমাইন্ড ও পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।





















