১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়ায় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ: নারী ফুটসালে সোনালী ইতিহাস

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৩৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৭

স্পোর্টস ডেস্ক |
দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজিত নারী ফুটসাল টুর্নামেন্টে স্বর্ণালি অধ্যায় রচনা করল বাংলাদেশ। ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এই আসরে নিজেদের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে শিরোপা জয়ের উল্লাসে মেতেছে সাবিনা খাতুনের দল।

সাত দলের এই টুর্নামেন্টে মোট ৬টি ম্যাচ খেলে ৫টি জয় ও ১টি ড্রয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৬ পয়েন্ট। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী দল হিসেবে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল লাল-সবুজের মেয়েরা।

আজকের ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। খেলা শুরুর প্রথম থেকেই মালদ্বীপের ওপর চড়াও হয়ে খেলে বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধ: ৬-১ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় দল।
দ্বিতীয়ার্ধ: আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে আরও ৮টি গোল যোগ করে বাংলাদেশ।
: ১৪-২ ব্যবধানের এই জয়টি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড হিসেবেও নথিভুক্ত হয়েছে।

দলের জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। মালদ্বীপের বিপক্ষে একাই ৪টি গোল করেছেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে তার গোলসংখ্যা ১৩টি। টানা দুইবার সাফ ফুটবলের পর এবার ফুটসাল শিরোপা জিতে অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন এই গোলমেশিন।

পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দল ছিল অদম্য ও অপ্রতিরোধ্য:
জয়: ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেপাল ও মালদ্বীপ। ড্র: ভুটান।
: ৬ ম্যাচে মোট গোল ৩৮টি, হজম করেছে মাত্র ৯টি।
মাঠে রক্ষণভাগের দৃঢ়তা এবং গোলরক্ষক স্বপ্না আক্তার ঝিলির দুর্দান্ত সেভগুলো বাংলাদেশের এই অপরাজিত যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
পুরুষ ফুটবলে যখন সাফল্যের খরা চলছে, ঠিক তখনই নারী ফুটসাল দলের এই অবিস্মরণীয় বিজয় দেশের ফুটবল ইতিহাসের জন্য এক গর্বের উপলক্ষ হয়ে থাকল।

সর্বাধিক পঠিত

মাগুরায় বসে যশোরে মাদকের জাল: নেপথ্যে রহস্যময়ী জেরিন

দক্ষিণ এশিয়ায় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ: নারী ফুটসালে সোনালী ইতিহাস

আপডেট: ০৯:৩৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক |
দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজিত নারী ফুটসাল টুর্নামেন্টে স্বর্ণালি অধ্যায় রচনা করল বাংলাদেশ। ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এই আসরে নিজেদের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে বিধ্বস্ত করে শিরোপা জয়ের উল্লাসে মেতেছে সাবিনা খাতুনের দল।

সাত দলের এই টুর্নামেন্টে মোট ৬টি ম্যাচ খেলে ৫টি জয় ও ১টি ড্রয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৬ পয়েন্ট। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জনকারী দল হিসেবে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল লাল-সবুজের মেয়েরা।

আজকের ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। খেলা শুরুর প্রথম থেকেই মালদ্বীপের ওপর চড়াও হয়ে খেলে বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধ: ৬-১ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় দল।
দ্বিতীয়ার্ধ: আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে আরও ৮টি গোল যোগ করে বাংলাদেশ।
: ১৪-২ ব্যবধানের এই জয়টি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড হিসেবেও নথিভুক্ত হয়েছে।

দলের জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। মালদ্বীপের বিপক্ষে একাই ৪টি গোল করেছেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে তার গোলসংখ্যা ১৩টি। টানা দুইবার সাফ ফুটবলের পর এবার ফুটসাল শিরোপা জিতে অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন এই গোলমেশিন।

পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দল ছিল অদম্য ও অপ্রতিরোধ্য:
জয়: ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেপাল ও মালদ্বীপ। ড্র: ভুটান।
: ৬ ম্যাচে মোট গোল ৩৮টি, হজম করেছে মাত্র ৯টি।
মাঠে রক্ষণভাগের দৃঢ়তা এবং গোলরক্ষক স্বপ্না আক্তার ঝিলির দুর্দান্ত সেভগুলো বাংলাদেশের এই অপরাজিত যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
পুরুষ ফুটবলে যখন সাফল্যের খরা চলছে, ঠিক তখনই নারী ফুটসাল দলের এই অবিস্মরণীয় বিজয় দেশের ফুটবল ইতিহাসের জন্য এক গর্বের উপলক্ষ হয়ে থাকল।