০২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আজ মহাকবি মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মদিন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬৭

বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার পথিকৃৎ এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৮২৪ সালের এই দিনে ব্রিটিশ ভারতের যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই কালজয়ী সাহিত্যিক। তাঁর এই জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সাগরদাঁড়িতে কবির জন্মভিটায় শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী ‘মধুসূদন জন্ম উৎসব’।

মহাকবির ২০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বাণীতে তিনি বলেন:
> “মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মে মানবিক চেতনা, মুক্তবুদ্ধি ও সৃজনশীলতার যে দীপ্ত প্রকাশ, তা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। তাঁর অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন ও মহাকাব্যিক রচনাশৈলী বাংলা ভাষাকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।”

ড. ইউনূস আরও উল্লেখ করেন যে, মহাকবির সাহিত্যকর্মে দেশপ্রেম ও মুক্তচিন্তার যে প্রতিফলন রয়েছে, তা নতুন প্রজন্মকে সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। এই উৎসব আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাহিত্যে মধুসূদনের অবদান
মধুসূদন দত্ত কেবল তাঁর অমর সৃষ্টি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ দিয়েই বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেননি, বরং বাংলা সাহিত্যে সনেট (চতুর্দশপদী কবিতাবলী) এবং নাটকের ক্ষেত্রেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন। পাশ্চাত্য সাহিত্যের ভাবধারার সঙ্গে বাংলা সাহিত্যের মেলবন্ধন ঘটিয়ে তিনি এক নতুন যুগের সূচনা করেন।

কবির জন্মভিটা সাগরদাঁড়িতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে থাকছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গ্রামীণ মেলা। ১৮৭৩ সালে কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা এই কিংবদন্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দূর-দূরান্ত থেকে সাহিত্যপ্রেমীরা এখন যশোর অভিমুখে যাত্রা করছেন।

সর্বাধিক পঠিত

মাগুরায় বসে যশোরে মাদকের জাল: নেপথ্যে রহস্যময়ী জেরিন

আজ মহাকবি মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মদিন

আপডেট: ০৫:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার পথিকৃৎ এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০২তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৮২৪ সালের এই দিনে ব্রিটিশ ভারতের যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই কালজয়ী সাহিত্যিক। তাঁর এই জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সাগরদাঁড়িতে কবির জন্মভিটায় শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী ‘মধুসূদন জন্ম উৎসব’।

মহাকবির ২০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বাণীতে তিনি বলেন:
> “মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মে মানবিক চেতনা, মুক্তবুদ্ধি ও সৃজনশীলতার যে দীপ্ত প্রকাশ, তা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। তাঁর অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন ও মহাকাব্যিক রচনাশৈলী বাংলা ভাষাকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।”

ড. ইউনূস আরও উল্লেখ করেন যে, মহাকবির সাহিত্যকর্মে দেশপ্রেম ও মুক্তচিন্তার যে প্রতিফলন রয়েছে, তা নতুন প্রজন্মকে সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। এই উৎসব আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাহিত্যে মধুসূদনের অবদান
মধুসূদন দত্ত কেবল তাঁর অমর সৃষ্টি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ দিয়েই বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেননি, বরং বাংলা সাহিত্যে সনেট (চতুর্দশপদী কবিতাবলী) এবং নাটকের ক্ষেত্রেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন। পাশ্চাত্য সাহিত্যের ভাবধারার সঙ্গে বাংলা সাহিত্যের মেলবন্ধন ঘটিয়ে তিনি এক নতুন যুগের সূচনা করেন।

কবির জন্মভিটা সাগরদাঁড়িতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে থাকছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গ্রামীণ মেলা। ১৮৭৩ সালে কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা এই কিংবদন্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দূর-দূরান্ত থেকে সাহিত্যপ্রেমীরা এখন যশোর অভিমুখে যাত্রা করছেন।