নিজস্ব প্রতিবেদক | যশোর বাগেরহাটের কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখার ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। কারা কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাকিবের প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আবেদনই করা হয়নি।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে বন্দি সাদ্দামের স্ত্রীকে লেখা চিরকুট বা কারাগারে বন্দি অবস্থায় যে ছবিগুলো প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়।
:
প্যারোলে মুক্তি: সাদ্দামকে আবেদনের পরও প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি বলে যে তথ্য প্রচার হচ্ছে তা সঠিক নয়। কারণ, যশোর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর প্যারোলে মুক্তির জন্য কোনো লিখিত আবেদনই জমা পড়েনি।
মানবিক বিবেচনা: পরিবারের পক্ষ থেকে মৌখিক অনুরোধ করা হলে কারা কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে। এরপর মানবিক দিক বিবেচনায় কারা ফটকে মরদেহ দেখানোর বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়।
যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান গণমাধ্যমকে জানান, বন্দি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন তাদের দপ্তরে পৌঁছায়নি। বাগেরহাটে কোনো আবেদন করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তিনি অবগত নন। এমনকি বাগেরহাট জেলা প্রশাসন থেকেও এই সংক্রান্ত কোনো অনুরোধ বা আবেদন যশোরে পাঠানো হয়নি।
গত শুক্রবার সাদ্দামের স্ত্রী ও ৯ মাসের সন্তান মারা যাওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যায় মরদেহ দুটি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে আনা হয়। সেখানে কোনো আইনি জটিলতা ছাড়াই মানবিক কারণে সাদ্দামকে তার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে শেষ দেখার সুযোগ করে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।





















