যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ অবশেষে দেশে পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার (৭ মে ২০২৬) স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৫০ মিনিটে ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহ নিয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।
পারিবারিক ও দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-০২২০ (EK 0220) ফ্লাইটটি দুবাইয়ে ট্রানজিট নেবে। এরপর সেখান থেকে ইকে-০৫৮২ (EK 0582) ফ্লাইটে করে মরদেহ বাংলাদেশে আনা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার (৯ মে) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃষ্টির নিথর দেহ পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বিমানবন্দরে মরদেহ প্রেরণের সময় মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করেন। উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার দুই শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন এবং নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। এর দুই দিন পর থেকে ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের নির্দেশনায় মিয়ামির কনস্যুলেট জেনারেল স্থানীয় পুলিশ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে তদন্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছে।
বাংলাদেশ দূতাবাস এই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং এফবিআইয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রেখেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ অনুযায়ী মরদেহ দেশে পাঠানো থেকে শুরু করে যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে দূতাবাস।
বৃষ্টির অকাল মৃত্যুতে তার পরিবার ও সহপাঠীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।




















