০৭:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

*মুম্বাইয়ে তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৫১১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:**

ভারতের মুম্বাইয়ে তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় এক নতুন ও ভয়াবহ তথ্য সামনে এসেছে। ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, তাদের মৃত্যু সাধারণ খাদ্য বিষক্রিয়ায় নয়, বরং তরমুজে মিশে থাকা ইঁদুর মারার বিষের প্রভাবে হয়েছে।

নিহতরা হলেন ৪৫ বছর বয়সী আবদুল্লাহ ডকাডিয়া, তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের দুই সন্তান জয়নব (১৩) ও আয়েশা (১৬)। গত কয়েকদিন আগে তারা মুম্বাইয়ের নিজ বাড়িতে আত্মীয়দের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। রাতের খাবারে তারা অতিথিদের মাটন পোলাও পরিবেশন করেন। তবে যারা কেবল পোলাও খেয়েছিলেন, তাদের কোনো শারীরিক সমস্যা হয়নি।

আত্মীয়রা চলে যাওয়ার পর রাত ১টার দিকে পরিবারের চার সদস্য ওই তরমুজটি খান। এর কয়েক ঘণ্টা পর ভোর ৫টার দিকে সবার তীব্র বমি ও ডায়রিয়া শুরু হয়। অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়।

ময়নাতদন্তের সময় চিকিৎসকরা লক্ষ্য করেন যে, নিহতদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সবুজ হয়ে গেছে—যা তীব্র বিষক্রিয়ার একটি স্পষ্ট লক্ষণ। পরবর্তীতে ফরেনসিক পরীক্ষায় ভুক্তভোগীদের শরীর এবং খাওয়ার অবশিষ্ট তরমুজের নমুনায় **‘জিঙ্ক ফসফাইট’ * নামক রাসায়নিকের সন্ধান পাওয়া যায়। এই রাসায়নিকটি সাধারণত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

পুলিশ এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা এখন দুটি দিক খতিয়ে দেখছেন— ইঁদুর মারার বিষ কি দুর্ঘটনাবশত তরমুজের সংস্পর্শে এসেছিল, নাকি কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে তরমুজে বিষ ঢুকিয়ে দিয়েছিল।

ইতিমধ্যেই ওই অনুষ্ঠানে আসা অতিথিদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। তরমুজটি কোথা থেকে কেনা হয়েছিল এবং এর উৎস কী, তা জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

শার্শার শ্যামলাগাছী মোড়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় নারী

*মুম্বাইয়ে তরমুজ খেয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

আপডেট: ০৪:৫৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:**

ভারতের মুম্বাইয়ে তরমুজ খাওয়ার পর একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় এক নতুন ও ভয়াবহ তথ্য সামনে এসেছে। ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, তাদের মৃত্যু সাধারণ খাদ্য বিষক্রিয়ায় নয়, বরং তরমুজে মিশে থাকা ইঁদুর মারার বিষের প্রভাবে হয়েছে।

নিহতরা হলেন ৪৫ বছর বয়সী আবদুল্লাহ ডকাডিয়া, তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের দুই সন্তান জয়নব (১৩) ও আয়েশা (১৬)। গত কয়েকদিন আগে তারা মুম্বাইয়ের নিজ বাড়িতে আত্মীয়দের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন। রাতের খাবারে তারা অতিথিদের মাটন পোলাও পরিবেশন করেন। তবে যারা কেবল পোলাও খেয়েছিলেন, তাদের কোনো শারীরিক সমস্যা হয়নি।

আত্মীয়রা চলে যাওয়ার পর রাত ১টার দিকে পরিবারের চার সদস্য ওই তরমুজটি খান। এর কয়েক ঘণ্টা পর ভোর ৫টার দিকে সবার তীব্র বমি ও ডায়রিয়া শুরু হয়। অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়।

ময়নাতদন্তের সময় চিকিৎসকরা লক্ষ্য করেন যে, নিহতদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সবুজ হয়ে গেছে—যা তীব্র বিষক্রিয়ার একটি স্পষ্ট লক্ষণ। পরবর্তীতে ফরেনসিক পরীক্ষায় ভুক্তভোগীদের শরীর এবং খাওয়ার অবশিষ্ট তরমুজের নমুনায় **‘জিঙ্ক ফসফাইট’ * নামক রাসায়নিকের সন্ধান পাওয়া যায়। এই রাসায়নিকটি সাধারণত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

পুলিশ এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা এখন দুটি দিক খতিয়ে দেখছেন— ইঁদুর মারার বিষ কি দুর্ঘটনাবশত তরমুজের সংস্পর্শে এসেছিল, নাকি কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইনজেকশনের মাধ্যমে তরমুজে বিষ ঢুকিয়ে দিয়েছিল।

ইতিমধ্যেই ওই অনুষ্ঠানে আসা অতিথিদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। তরমুজটি কোথা থেকে কেনা হয়েছিল এবং এর উৎস কী, তা জানতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।