০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

মণিরামপুরে দম্পতিকে অচেতন করে লুটতরাজ: খেয়ে-দেয়ে ও বিশ্রাম নিয়ে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:১৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৫০৯

যশোরের মণিরামপুরে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঢুকে দম্পতিকে অচেতন করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাতে পৌর এলাকার বিজয়রামপুর গ্রামে ব্যবসায়ী আব্দুস সালামের বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটে। অদ্ভুত বিষয় হলো, মালামাল লুটের আগে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়া করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী আব্দুস সালাম একটি কোম্পানির পরিবেশক। বিজয়রামপুর হাই স্কুলের পাশে তার নিজস্ব দোতলা বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। স্বজনরা জানান, ওই বাড়ির দোতলার নির্মাণকাজ চলমান থাকায় জানালার পাশে থাকা গাছ ও ব্যালকনি দিয়ে সহজেই ভেতরে ঢোকা সম্ভব। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে আব্দুস সালাম ও তার স্ত্রী শিউলি বেগম ঘুমিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা ভেতরে প্রবেশ করে। তারা দম্পতিকে লক্ষ্য করে চেতনানাশক স্প্রে করে অচেতন করে ফেলে।

ভুক্তভোগীর স্বজন ইয়াসমিন আক্তার অভিযোগ করেন, চোর চক্রটি কেবল চুরি করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা দীর্ঘ সময় বাড়িতে অবস্থান করেছে। দুর্বৃত্তরা হাড়ির রান্না করা ভাত বের করে এবং ফ্রিজ থেকে ডিম নিয়ে সেদ্ধ করে খেয়েছে। এছাড়া তারা ঘর থেকে বিস্কুট ও পানের ডালা বের করে পানও খেয়েছে। এমনকি আলমারি থেকে বালিশ ও কম্বল বের করে দোতলার কক্ষে বিশ্রাম নিয়েছে তারা।

পরদিন সকালে পরিবারের অন্য সদস্যরা গিয়ে ওই দম্পতিকে ডাকাডাকি করলে ঘটনার জানাজানি হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, আলমারি তছনছ করে শিউলি বেগম ও তার পুত্রবধূর ব্যবহৃত প্রায় **১০ ভরি স্বর্ণালংকার** এবং প্লাস্টিকের ব্যাংক কেটে জমানো নগদ অর্থ লুট করা হয়েছে।

অচেতন করার স্প্রেতে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বৃহস্পতিবার সকালে আব্দুস সালাম (৪৫) ও তার স্ত্রী শিউলি বেগমকে (৪০) প্রথমে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে আব্দুস সালামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনবহুল এলাকায় এমন দুর্ধর্ষ ও দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

লোহাগড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ৪ দোকান পুড়ে ১৩ লাখ টাকার ক্ষতি

মণিরামপুরে দম্পতিকে অচেতন করে লুটতরাজ: খেয়ে-দেয়ে ও বিশ্রাম নিয়ে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট

আপডেট: ১১:১৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

যশোরের মণিরামপুরে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঢুকে দম্পতিকে অচেতন করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাতে পৌর এলাকার বিজয়রামপুর গ্রামে ব্যবসায়ী আব্দুস সালামের বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটে। অদ্ভুত বিষয় হলো, মালামাল লুটের আগে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়া করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী আব্দুস সালাম একটি কোম্পানির পরিবেশক। বিজয়রামপুর হাই স্কুলের পাশে তার নিজস্ব দোতলা বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। স্বজনরা জানান, ওই বাড়ির দোতলার নির্মাণকাজ চলমান থাকায় জানালার পাশে থাকা গাছ ও ব্যালকনি দিয়ে সহজেই ভেতরে ঢোকা সম্ভব। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে আব্দুস সালাম ও তার স্ত্রী শিউলি বেগম ঘুমিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা ভেতরে প্রবেশ করে। তারা দম্পতিকে লক্ষ্য করে চেতনানাশক স্প্রে করে অচেতন করে ফেলে।

ভুক্তভোগীর স্বজন ইয়াসমিন আক্তার অভিযোগ করেন, চোর চক্রটি কেবল চুরি করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা দীর্ঘ সময় বাড়িতে অবস্থান করেছে। দুর্বৃত্তরা হাড়ির রান্না করা ভাত বের করে এবং ফ্রিজ থেকে ডিম নিয়ে সেদ্ধ করে খেয়েছে। এছাড়া তারা ঘর থেকে বিস্কুট ও পানের ডালা বের করে পানও খেয়েছে। এমনকি আলমারি থেকে বালিশ ও কম্বল বের করে দোতলার কক্ষে বিশ্রাম নিয়েছে তারা।

পরদিন সকালে পরিবারের অন্য সদস্যরা গিয়ে ওই দম্পতিকে ডাকাডাকি করলে ঘটনার জানাজানি হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, আলমারি তছনছ করে শিউলি বেগম ও তার পুত্রবধূর ব্যবহৃত প্রায় **১০ ভরি স্বর্ণালংকার** এবং প্লাস্টিকের ব্যাংক কেটে জমানো নগদ অর্থ লুট করা হয়েছে।

অচেতন করার স্প্রেতে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বৃহস্পতিবার সকালে আব্দুস সালাম (৪৫) ও তার স্ত্রী শিউলি বেগমকে (৪০) প্রথমে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে আব্দুস সালামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনবহুল এলাকায় এমন দুর্ধর্ষ ও দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।