০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে যুবক নিহত:

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৫১৩

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের অতর্কিত ব্রাশফায়ারে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় রেশমি আক্তার (১২) নামে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী চোখে গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রৌফাবাদ শহীদ মিনার গলিতে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা যোগে আসা ৫-৬ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী হাসান প্রকাশ রাজুকে (২৪) লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়ে। খুব কাছ থেকে করা এই ব্রাশফায়ারে রাজু ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। এসময় পাশ দিয়ে দোকানে যাওয়ার পথে একটি গুলি শিশু রেশমির বাম চোখে বিদ্ধ হয়।

হাসান প্রকাশ রাজু রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের আবুল কালামের ছেলে। এলাকায় তিনি ‘বিন্দু মাসির ছেলে রাজু’ নামে পরিচিত ছিলেন। বোন রুমা আক্তারের দেওয়া তথ্যমতে, রাজু চার দিন আগে বায়েজিদে বোনের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন।
*আহত রেশমি: রৌফাবাদ কলোনির রিয়াজ আহমেদ ও সাবেরা বেগমের কন্যা। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ এপ্রিল রাউজানে সংঘটিত যুবদল কর্মী নাসির উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় রাজুর নাম ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তার এড়াতে রাজু বোনের বাসায় আত্মগোপন করেছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে রাজুকে পেশায় দিনমজুর দাবি করা হলেও পুলিশ ধারণা করছে, পূর্ববিরোধ বা রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই টার্গেট কিলিং হতে পারে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর বিভাগের উপকমিশনার আমিরুল ইসলাম জানান, রাজুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন:

> “ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলাকারীরা সিএনজি যোগে এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে।”

বর্তমানে রৌফাবাদ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে যশোর জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে যুবক নিহত:

আপডেট: ১০:২৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার রৌফাবাদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের অতর্কিত ব্রাশফায়ারে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় রেশমি আক্তার (১২) নামে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী চোখে গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে রৌফাবাদ শহীদ মিনার গলিতে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা যোগে আসা ৫-৬ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী হাসান প্রকাশ রাজুকে (২৪) লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়ে। খুব কাছ থেকে করা এই ব্রাশফায়ারে রাজু ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। এসময় পাশ দিয়ে দোকানে যাওয়ার পথে একটি গুলি শিশু রেশমির বাম চোখে বিদ্ধ হয়।

হাসান প্রকাশ রাজু রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের আবুল কালামের ছেলে। এলাকায় তিনি ‘বিন্দু মাসির ছেলে রাজু’ নামে পরিচিত ছিলেন। বোন রুমা আক্তারের দেওয়া তথ্যমতে, রাজু চার দিন আগে বায়েজিদে বোনের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন।
*আহত রেশমি: রৌফাবাদ কলোনির রিয়াজ আহমেদ ও সাবেরা বেগমের কন্যা। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ এপ্রিল রাউজানে সংঘটিত যুবদল কর্মী নাসির উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় রাজুর নাম ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তার এড়াতে রাজু বোনের বাসায় আত্মগোপন করেছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে রাজুকে পেশায় দিনমজুর দাবি করা হলেও পুলিশ ধারণা করছে, পূর্ববিরোধ বা রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই টার্গেট কিলিং হতে পারে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর বিভাগের উপকমিশনার আমিরুল ইসলাম জানান, রাজুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন:

> “ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলাকারীরা সিএনজি যোগে এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যে পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে।”

বর্তমানে রৌফাবাদ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।