রাশিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা আত্মসাৎ ও পাসপোর্ট আটকে রেখে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে ঢাকার একটি ট্রাভেল এজেন্সির চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) যশোরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার বিবরণের প্রেক্ষিতে বিচারক জাহেদ আহমদ অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতোয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন:
ঢাকার বারিধারা এলাকার ‘যমুনা ভিসা এক্সপ্রেস’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুল হাসান (৩৮), পরিচালক মোহাম্মদ রাহানুল আলম (৩০), ম্যানেজার ইউসুফ আলী (৩৫) এবং এজেন্ট সুমন খান (২৮)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী হাসানুজ্জামান পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রাশিয়া যাওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখে ‘যমুনা ভিসা এক্সপ্রেস’-এর সাথে যোগাযোগ করেন। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা তাকে দুই বছরের ওয়ার্ক পারমিট ভিসা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন।
চুক্তি অনুযায়ী, গত ১৯ ডিসেম্বর কুরিয়ারের মাধ্যমে পাসপোর্ট জমা দেন বাদী। এরপর ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা অফিসে গিয়ে নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ভিসা সম্পন্ন করে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও অভিযুক্তরা তা রক্ষা করেননি। উল্টো পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার শর্তে আরও ১ লাখ টাকা দাবি করে ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল শুরু করেন তারা।
দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও ভিসা না পাওয়ায় এবং পাসপোর্ট আটকে রেখে অতিরিক্ত টাকা দাবির ঘটনায় বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
এই ধরণের প্রতারণা রোধে সচেতনতামূলক কোনো আর্টিকেল বা পরামর্শের





















