যশোরের কম্পিউটার ও গ্রাফিক্স ডিজাইন অঙ্গনের পরিচিত মুখ মুন্না (২৭) আর নেই। বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে ঢাকার আরামবাগ এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সেহরির সময়ও পরিবারের সাথে স্বাভাবিক কথা বলা মুন্নার এই মৃত্যুকে ‘রহস্যজনক’ বলে দাবি করছেন তার স্বজনরা।
নিহত মুন্না এক সময় যশোরের স্থানীয় দৈনিক ‘গ্রামের কাগজ’-এর কম্পিউটার বিভাগে কর্মরত ছিলেন। গত কয়েক বছর ধরে তিনি ঢাকার আরামবাগে একটি নামী কম্পিউটার ডিজাইন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে আরামবাগের বাসায় সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মুন্নার মরদেহ পাওয়া যায়। মৃত্যুর কিছু সময় আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিদায়ী স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। তবে কী কারণে তিনি এমন পোস্ট দিলেন বা কেন এই চরম পথ বেছে নিলেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
যশোরে অবস্থানরত মুন্নার পিতা কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, আজ ভোরে সেহরির সময়ও মুন্না ফোনে তার মায়ের সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে কথা বলেছেন। এমনকি আগামী শনিবার তার যশোরে বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। পরিবারের প্রশ্ন—সেহরির সময় যার আচরণ এতোটা স্বাভাবিক ছিল, মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনি কেন আত্মহত্যা করবেন? স্বজনদের দাবি, এই মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো গূঢ় রহস্য বা কারণ থাকতে পারে।
মুন্নার অকাল মৃত্যুতে যশোরের সাংবাদিক ও গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ সময় ‘গ্রামের কাগজ’-এ কর্মরত থাকায় স্থানীয় সংবাদকর্মী মহলে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।





















