স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সূচনা করেন।
সরকারি তথ্যমতে, এই কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডকে পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। প্রাথমিক তালিকায় থাকা ৪৭,৭৭৭টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে ডাবল ডিপিং (একাধিক ভাতা গ্রহণ) ও সরকারি চাকরির বিষয়গুলো বাদ দিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭,৫৬৭টি পরিবারকে ভাতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
ডিজিটাল কার্ডের আধুনিক বৈশিষ্ট্য
এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে একটি করে আধুনিক ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হবে। কার্ডটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
* স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপ: এতে কিউআর কোড ও এনএফসি (NFC) প্রযুক্তি যুক্ত থাকবে।
* সদস্য অন্তর্ভুক্তি: একটি কার্ডে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ ৫ জন সদস্যের তথ্য থাকবে। প্রয়োজনের ভিত্তিতে একাধিক কার্ড দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
ভাতার পরিমাণ ও বিতরণ পদ্ধতি
নির্বাচিত প্রতিটি নারীপ্রধান পরিবার প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। সুবিধাভোগীদের সুবিধার্থে এই টাকা সরাসরি তাদের পছন্দের মোবাইল ওয়ালেট (বিকাশ/নগদ ইত্যাদি) অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তথ্য সংগ্রহের সময়ই ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই অ্যাকাউন্টগুলোর ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।





















