০২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

হাশিমপুরে প্রকল্পের অর্থ লোপাটের অভিযোগ: প্রধান শিক্ষক পলাতক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৩২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩৫

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হাশিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না করেই ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চলছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

ঘটনার বিষয়ে সত্যতা যাচাই করতে হাশিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদুর রহমানের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই তিনি গণমাধ্যমের সাথে কথা বলা এড়িয়ে চলছেন এবং তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের বড় একটি অংশ কাজে না লাগিয়ে পকেটস্থ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান:
> “প্রকল্পের নামে ভুয়া বিল দেখিয়ে সরকারি অর্থ লোপাটের চেষ্টা চলছে। কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের এবং অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেই বিল উত্তোলনের পায়তারা করা হচ্ছে। আমরা চাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
>

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারা আরও যোগ করেন, “সরকারি অর্থের অপচয় বা তছরুপ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।

সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে শার্শার লক্ষণপুরে বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত*

হাশিমপুরে প্রকল্পের অর্থ লোপাটের অভিযোগ: প্রধান শিক্ষক পলাতক

আপডেট: ১১:৩২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হাশিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না করেই ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চলছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

ঘটনার বিষয়ে সত্যতা যাচাই করতে হাশিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদুর রহমানের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই তিনি গণমাধ্যমের সাথে কথা বলা এড়িয়ে চলছেন এবং তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের বড় একটি অংশ কাজে না লাগিয়ে পকেটস্থ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান:
> “প্রকল্পের নামে ভুয়া বিল দেখিয়ে সরকারি অর্থ লোপাটের চেষ্টা চলছে। কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের এবং অনেক ক্ষেত্রে কাজ না করেই বিল উত্তোলনের পায়তারা করা হচ্ছে। আমরা চাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”
>

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারা আরও যোগ করেন, “সরকারি অর্থের অপচয় বা তছরুপ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।