যশোরের ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক কর্মী মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে স্বল্প সুদে লোন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় শনিবার রাতে যশোরের কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী আব্দুস সোবহান। প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত মাহমুদা ও তার ছেলে তন্ময় জামানকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মাহমুদা নিজেকে ‘মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড’-এর কর্মী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মানুষকে লোনের লোভ দেখান। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, মাত্র ২ শতাংশ সুদে ১০-১২ বছরের কিস্তিতে লোন দেওয়া হবে। এই প্রলোভনে পড়ে ৩২ জন ভুক্তভোগী তাকে ৭০ লাখ টাকা প্রদান করেন। তবে টাকা নেওয়ার এক মাস পার হলেও লোন না দিয়ে তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
সর্বশেষ গত ৭ মার্চ ভুক্তভোগীরা তাকে শহরের দড়াটানা এলাকায় আটক করে টাকা ফেরত চাইলে তিনি অস্বীকৃতি জানান। এ সময় আরও অনেকে সামনে এগিয়ে আসেন এবং বেরিয়ে আসে মাহমুদার প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র। জানা গেছে, তিনি শত শত মানুষের কাছ থেকে কৌশলে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কোতোয়ালি থানার ওসি ফারুক আহমেদ জানান, বিষয়টি তদন্ত করতে উপ-পরিদর্শক আশরাফুল আলমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
লোনের লোভে নিঃস্ব শত শত মানুষ: কোটি টাকা হাতিয়ে গ্রেপ্তার সেই মাহমুদা
স্বল্প সুদে লোন পাইয়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে যশোরের বহু মানুষের কোটি টাকা লোপাট করেছেন মাহমুদা খাতুন। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন তিনি। শনিবার রাতে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মাহমুদা চাকরি ছাড়ার পর একটি ভুয়া পরিচয়ে গ্রাহকদের ফাঁদে ফেলেন। তিনি ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার পাশাপাশি ভোটার আইডি কার্ড ও ফাঁকা চেকও হাতিয়ে নেন। ভুক্তভোগী আব্দুস সোবহান জানান, শুধু তাদের দল থেকেই ৭০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। টাকা উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে তারা পুলিশের দ্বারস্থ হন। বর্তমানে শত শত ভুক্তভোগী মাহমুদার শাস্তির দাবিতে থানায় অভিযোগ জমা দিচ্ছেন। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।
)
যশোরে লোন দেওয়ার নামে কোটি টাকা প্রতারণা: মামলা ও গ্রেপ্তার ২
স্বল্প সুদের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া এলাকার বাসিন্দা মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন ভুক্তভোগী আব্দুস সোবহান।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, মাইডাস ফাইন্যান্সিংয়ের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মাহমুদা গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও ফাঁকা চেক সংগ্রহ করেন। কিন্তু সময়মতো লোন দিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। শুক্রবার শহরে তাকে দেখা গেলে ভুক্তভোগীরা ঘিরে ধরেন। পরে পুলিশ এসে তাকে ও তার ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ওসি ফারুক আহমেদ জানান, মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।





















