সমতা, অধিকার এবং অগ্রগতির প্রত্যয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে দিবসটি। ১৯০৮ সালের সেই ঐতিহাসিক নারী আন্দোলনের হাত ধরে যাত্রা শুরু করে আজ ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী ১১৫তম আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করছে মানুষ।
ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, ১৯০৮ সালে নিউইয়র্ক শহরে কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনা, বেতন বৃদ্ধি এবং ভোটাধিকারের দাবিতে প্রায় ১৫,০০০ নারী রাজপথে নেমেছিলেন। সেই গণ-আন্দোলনই ছিল আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের সূতিকাগার। আন্দোলনের এক বছর পর আমেরিকার সোশ্যালিস্ট পার্টি সর্বপ্রথম ‘
পরবর্তীতে নারী অধিকার কর্মী ক্লারা জেটকিন দিনটিকে আন্তর্জাতিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেন। ১৯১০ সালে কোপেনহেগেনে কর্মজীবী নারীদের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এ প্রস্তাব দেন, যা উপস্থিত ১৭টি দেশের ১০০ জন প্রতিনিধি সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করেন। এর ফলশ্রুতিতে ১৯১১ সালে অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, জার্মানি এবং সুইজারল্যান্ডে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় ২০১১ সালে দিনটির শতবর্ষ পূর্তি হয় এবং আজ ২০২৬ সালে আমরা পালন করছি ১১৫তম আন্তর্জাতিক নারী দিবস।
:
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে যশোরে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উদযাপনে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথ উদ্যোগে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির অমিত্রাক্ষর সভাকক্ষে মূল আলোচনা সভা ও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের সূচিতে রয়েছে:
* দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা।
* নারীর অধিকার ও উন্নয়ন বিষয়ক প্রবন্ধ পাঠ।
* অংশগ্রহণমূলক কুইজ প্রতিযোগিতা।
* বিজয়ী ও সফল নারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।
এই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে জাতীয় মহিলা সংস্থা, মহিলা পরিষদ, জয়তী সোসাইটি, বাঁচতে শেখাসহ স্থানীয় বিভিন্ন নারী উন্নয়ন সংগঠন অংশগ্রহণ করবে। নারী ও পুরুষের সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানগুলোতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।





















