যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তির মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভবনের মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক পর্যায়ে বিএনপির পক্ষ থেকে যশোর-১ আসনে মফিকুল হাসান তৃপ্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে দলের হাই কমান্ড থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয় শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটনকে। দলীয় এই পরিবর্তনের পর মফিকুল হাসান তৃপ্তি স্বতন্ত্র বা অন্য কোনোভাবে প্রার্থিতা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও আপিল শুনানিতে তিনি প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন।
আপিল শুনানির সময় মফিকুল হাসান তৃপ্তি বিএনপির আনুষ্ঠানিক মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী হিসেবে কোনো বৈধ দালিলিক প্রমাণ বা দলীয় অনুমোদনের কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) অনুযায়ী, দলীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে দলের প্রধান বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষর সম্বলিত প্রত্যয়নপত্র বাধ্যতামূলক। এই প্রমাণাদির অভাবে নির্বাচন কমিশন তার আপিল খারিজ করে দেয় এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
, গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত পত্রে নুরুজ্জামান লিটনকে মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকেই তৃপ্তি সমর্থক ও লিটন সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তৃপ্তির মনোনয়ন পুনর্বহালের দাবিতে ইতিপূর্বে স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করলেও ইসির আজকের এই সিদ্ধান্তের ফলে যশোর-১ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে নুরুজ্জামান লিটনের অবস্থান নিশ্চিত হলো।



















