০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে ২ বছরের শিশু: ৯ ঘণ্টা ধরে চলছে উদ্বেগজনক উদ্ধারকাজ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৬৫

রাজশাহীর তানোরে একটি গভীর নলকূপের অব্যবহৃত পাইপের ভেতরে পড়ে যাওয়া দুই বছর বয়সী শিশু সাজিদকে উদ্ধারের জন্য পুরো গ্রামজুড়ে গভীর উদ্বেগ আর অসহায় অপেক্ষা বিরাজ করছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টায় উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার ৯ ঘণ্টা পরও শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় রাকিবুল ইসলামের ছেলে শিশু সাজিদকে জীবিত উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, শিশুটিকে জীবিত রাখার জন্য পাইপের মাধ্যমে গর্তে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোয়েলহাট পূর্বপাড়ার বাসিন্দা কছির উদ্দিন প্রায় এক বছর আগে তাঁর জমিতে সেচের জন্য একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন। ৩৫ ফুট পর্যন্ত বোরিং (গর্ত) করার পরও পানি না পাওয়ায় নলকূপটি বসানো হয়নি। প্রায় ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সেই উন্মুক্ত গর্তটি গত এক বছর ধরে ভরাট না করেই পড়ে ছিল।
বুধবার দুপুরে শিশু সাজিদের মা যখন পাশের মাঠে ধানের খড় নিতে যান, ঠিক তখনই খেলতে গিয়ে শিশুটি সেই অরক্ষিত গর্তের ভেতরে পড়ে যায় এবং মাটির নিচে আটকে যায়। স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে তানোর, চাপাইনবাবগঞ্জ এবং রাজশাহী সদর স্টেশনের ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
উদ্ধারকারীদের প্রধান লক্ষ্য শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা। এ কারণে শিশুটির শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখতে একটি পাইপের মাধ্যমে গর্তের ভেতরে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে গর্তের পাশে স্কেভেটর দিয়ে দ্রুত মাটি খননের কাজ চলছে।
রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল আলম জানান, স্থানীয়রা আগে উদ্ধারের চেষ্টা করায় কিছু মাটি গর্তে পড়ে গেছে। ক্যামেরা দিয়ে ভেতরে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করা হলেও মানুষের প্রচুর কোলাহলের কারণে শিশুটির কোনো সাড়া বা অবস্থান নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না, যা উদ্ধারকাজে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
পুরো গ্রামবাসী শিশু সাজিদকে জীবিত ফিরে পাওয়ার জন্য উদ্বেগ ও ব্যাকুলতা নিয়ে উদ্ধার অভিযানের দিকে তাকিয়ে আছে।

সর্বাধিক পঠিত

সাজা ও সাময়িক বরখাস্তের পরও পদোন্নতি, যশোর বিআরটিএর এডি জমির হোসেনকে ঘিরে প্রশ্ন

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে ২ বছরের শিশু: ৯ ঘণ্টা ধরে চলছে উদ্বেগজনক উদ্ধারকাজ

আপডেট: ১১:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর তানোরে একটি গভীর নলকূপের অব্যবহৃত পাইপের ভেতরে পড়ে যাওয়া দুই বছর বয়সী শিশু সাজিদকে উদ্ধারের জন্য পুরো গ্রামজুড়ে গভীর উদ্বেগ আর অসহায় অপেক্ষা বিরাজ করছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টায় উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার ৯ ঘণ্টা পরও শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় রাকিবুল ইসলামের ছেলে শিশু সাজিদকে জীবিত উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, শিশুটিকে জীবিত রাখার জন্য পাইপের মাধ্যমে গর্তে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোয়েলহাট পূর্বপাড়ার বাসিন্দা কছির উদ্দিন প্রায় এক বছর আগে তাঁর জমিতে সেচের জন্য একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন। ৩৫ ফুট পর্যন্ত বোরিং (গর্ত) করার পরও পানি না পাওয়ায় নলকূপটি বসানো হয়নি। প্রায় ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সেই উন্মুক্ত গর্তটি গত এক বছর ধরে ভরাট না করেই পড়ে ছিল।
বুধবার দুপুরে শিশু সাজিদের মা যখন পাশের মাঠে ধানের খড় নিতে যান, ঠিক তখনই খেলতে গিয়ে শিশুটি সেই অরক্ষিত গর্তের ভেতরে পড়ে যায় এবং মাটির নিচে আটকে যায়। স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে তানোর, চাপাইনবাবগঞ্জ এবং রাজশাহী সদর স্টেশনের ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
উদ্ধারকারীদের প্রধান লক্ষ্য শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা। এ কারণে শিশুটির শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখতে একটি পাইপের মাধ্যমে গর্তের ভেতরে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে গর্তের পাশে স্কেভেটর দিয়ে দ্রুত মাটি খননের কাজ চলছে।
রাজশাহী সদর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল আলম জানান, স্থানীয়রা আগে উদ্ধারের চেষ্টা করায় কিছু মাটি গর্তে পড়ে গেছে। ক্যামেরা দিয়ে ভেতরে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করা হলেও মানুষের প্রচুর কোলাহলের কারণে শিশুটির কোনো সাড়া বা অবস্থান নিশ্চিতভাবে বোঝা যাচ্ছে না, যা উদ্ধারকাজে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
পুরো গ্রামবাসী শিশু সাজিদকে জীবিত ফিরে পাওয়ার জন্য উদ্বেগ ও ব্যাকুলতা নিয়ে উদ্ধার অভিযানের দিকে তাকিয়ে আছে।