০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে এক বন্দি পলাতক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৫০

যশোরে অবস্থিত শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (Kid Development Centre) থেকে মুনসুর শেখ নামে এক অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১০ ডিসেম্বর, ২০২৫) দুপুরে প্রায় ১২টার দিকে।
নড়াইল সদর উপজেলার গোবরা গ্রামের মৃত সোনামিয়া শেখের ছেলে মুনসুর শেখ একটি চুরি মামলার আসামি হিসেবে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রটিতে আটক ছিল।
কেন্দ্রের সূত্র অনুযায়ী, ঘটনার দিন দুপুরে মুনসুর অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে কেন্দ্রের মাঠে নিয়মিত খেলাধুলায় অংশ নিচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, খেলাধুলার সুযোগ নিয়ে সে কৌশলে কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ সীমানা এড়িয়ে পালিয়ে যায়।
দায়িত্বরত কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তার পলায়নের বিষয়টি জানতে পারেননি। পরে যখন নিয়মিত গণনা করা হয়, তখন একজনকে অনুপস্থিত পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হন যে মুনসুর পালিয়ে গেছে।

পলায়ন কীভাবে সম্ভব হলো এবং নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে।
এই বিষয়ে কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মঞ্জুরুল হাসান বুধবার রাতে কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ ফারুক আহম্মেদ জানান, পলাতক বন্দিকে দ্রুত আটক করতে আইনগত প্রক্রিয়া ও অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, আশপাশের এলাকা, পরিবহন কেন্দ্র এবং সম্ভাব্য লুকিয়ে থাকার স্থানগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

সর্বাধিক পঠিত

নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে এক বন্দি পলাতক

আপডেট: ১১:০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

যশোরে অবস্থিত শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (Kid Development Centre) থেকে মুনসুর শেখ নামে এক অভিযুক্ত পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১০ ডিসেম্বর, ২০২৫) দুপুরে প্রায় ১২টার দিকে।
নড়াইল সদর উপজেলার গোবরা গ্রামের মৃত সোনামিয়া শেখের ছেলে মুনসুর শেখ একটি চুরি মামলার আসামি হিসেবে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রটিতে আটক ছিল।
কেন্দ্রের সূত্র অনুযায়ী, ঘটনার দিন দুপুরে মুনসুর অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে কেন্দ্রের মাঠে নিয়মিত খেলাধুলায় অংশ নিচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, খেলাধুলার সুযোগ নিয়ে সে কৌশলে কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ সীমানা এড়িয়ে পালিয়ে যায়।
দায়িত্বরত কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তার পলায়নের বিষয়টি জানতে পারেননি। পরে যখন নিয়মিত গণনা করা হয়, তখন একজনকে অনুপস্থিত পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হন যে মুনসুর পালিয়ে গেছে।

পলায়ন কীভাবে সম্ভব হলো এবং নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে।
এই বিষয়ে কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মঞ্জুরুল হাসান বুধবার রাতে কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ ফারুক আহম্মেদ জানান, পলাতক বন্দিকে দ্রুত আটক করতে আইনগত প্রক্রিয়া ও অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, আশপাশের এলাকা, পরিবহন কেন্দ্র এবং সম্ভাব্য লুকিয়ে থাকার স্থানগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।