০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

যশোর কারাগারে ১০০ বন্দির ভোটাধিকার প্রয়োগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:২৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৫

যশোর বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে কারাগারের অভ্যন্তরেই ১০০ জন বন্দি তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করেন।

কারাগার সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধিত ভোটারদের জন্য পৃথক পৃথক খাম পাঠানো হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ব্যালট পেপার, ভোট প্রদানের নিয়মাবলি এবং স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত ফরম ছিল। বন্দিরা কারাগারের নির্ধারিত স্থানে বসে গোপনীয়তা রক্ষা করে ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে খাম সিলগালা করেন। এরপর সেই খাম ও স্বাক্ষর সংবলিত কপিটি পুনরায় বড় খামে ভরে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন।

শুরুতে বন্দিদের এই সুযোগের কথা জানানো হলে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দেয়। তবে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) না থাকা বা কারিগরি জটিলতার কারণে অনেকে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারেননি। এছাড়াও অনেকে নিকট ভবিষ্যতে জামিনে মুক্তি পাওয়ার আশায় আবেদন করেননি।
* প্রাথমিক নিবন্ধন: ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২৯ জন বন্দি অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করেছিলেন।
* ভোট প্রদান: যাচাই-বাছাই ও বর্তমান অবস্থান সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে ১০০ জন বন্দি শনিবার ভোট প্রদান করেন।
প্রাথী ও প্রতীক সম্পর্কে ধারণা
ভোট গ্রহণের আগে বন্দিদের নিজ নিজ নির্বাচনী আসনের প্রার্থী এবং তাদের প্রতীক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করা হয়। এর ফলে তারা জেনেশুনেই তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে পেরেছেন।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ হাসান এই ঐতিহাসিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
> “নিবন্ধিত বন্দিদের মধ্যে ১০০ জন সফলভাবে ভোট প্রদান করেছেন। বিধি মোতাবেক ব্যালট পেপারগুলো পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে ছাত্রশিবিরের বাছাইকৃত কর্মী সমাবেশ

যশোর কারাগারে ১০০ বন্দির ভোটাধিকার প্রয়োগ

আপডেট: ১২:২৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোর বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে কারাগারের অভ্যন্তরেই ১০০ জন বন্দি তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করেন।

কারাগার সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধিত ভোটারদের জন্য পৃথক পৃথক খাম পাঠানো হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ব্যালট পেপার, ভোট প্রদানের নিয়মাবলি এবং স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত ফরম ছিল। বন্দিরা কারাগারের নির্ধারিত স্থানে বসে গোপনীয়তা রক্ষা করে ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে খাম সিলগালা করেন। এরপর সেই খাম ও স্বাক্ষর সংবলিত কপিটি পুনরায় বড় খামে ভরে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেন।

শুরুতে বন্দিদের এই সুযোগের কথা জানানো হলে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দেয়। তবে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) না থাকা বা কারিগরি জটিলতার কারণে অনেকে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারেননি। এছাড়াও অনেকে নিকট ভবিষ্যতে জামিনে মুক্তি পাওয়ার আশায় আবেদন করেননি।
* প্রাথমিক নিবন্ধন: ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২৯ জন বন্দি অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করেছিলেন।
* ভোট প্রদান: যাচাই-বাছাই ও বর্তমান অবস্থান সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে ১০০ জন বন্দি শনিবার ভোট প্রদান করেন।
প্রাথী ও প্রতীক সম্পর্কে ধারণা
ভোট গ্রহণের আগে বন্দিদের নিজ নিজ নির্বাচনী আসনের প্রার্থী এবং তাদের প্রতীক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করা হয়। এর ফলে তারা জেনেশুনেই তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে পেরেছেন।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ হাসান এই ঐতিহাসিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
> “নিবন্ধিত বন্দিদের মধ্যে ১০০ জন সফলভাবে ভোট প্রদান করেছেন। বিধি মোতাবেক ব্যালট পেপারগুলো পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”