পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় রাতের আঁধারে সীমানা প্রাচীর ভেঙে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী এমএ মোতালেব শরীফ, যিনি কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, শুক্রবার সকালে কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ উত্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোতালেব শরীফ জানান, কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তার পৈতৃক সম্পত্তিতে (কুয়াকাটা গেস্ট হাউস সংলগ্ন) বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দখলের চেষ্টা চালানো হয়। তার অভিযোগের তীর নিজের ভাগ্নে ও স্থানীয় জামায়াত নেতা শাহাবুদ্দিন ফরাজীর দিকে।
অভিযোগের মূল পয়েন্টগুলো হলো:: বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শাহাবুদ্দিন ফরাজীর নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র দল জমিতে প্রবেশ করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালায়।
: দখলের উদ্দেশ্যে জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়।
: মোতালেব শরীফের দাবি, জমিটি নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জাল কাগজপত্র ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এই অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
: পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করা হলে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
অভিযুক্তের পরিচয় ও বক্তব্য
অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন ফরাজী কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুল মাল সম্পাদক এবং দলের রুকন সদস্য। তবে জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন:
“আমি কোনো জমি দখল করতে যাইনি। এই জমিতে আমার মা ও খালাদের ন্যায্য অংশ রয়েছে। আমরা শুধু নিজেদের প্রাপ্য অংশ বুঝে নিতে সেখানে গিয়েছিলাম।”
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি হুমকির মুখে মোতালেব শরীফ মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। বর্তমান ঘটনার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান জানান, বিষয়টি মূলত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ। ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





















