১১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা: ক্ষমতায় গেলে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার তারেক রহমানের

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:২০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৫

ঢাকা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেদের উন্নয়ন ও সংস্কারের রূপরেখা সম্বলিত নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার তুলে ধরেন।

লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ইশতেহার ঘোষণার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ‘জুলাই সনদ’ অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএনপি তার প্রতিষ্ঠার পর থেকে কখনোই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান দেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র অপবাদ থেকে মুক্ত করে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়াও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।

বিএনপির এবারের ইশতেহারে মূলত রাষ্ট্র সংস্কার ও অর্থনৈতিক মুক্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ৯টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো:
‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান।
জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে প্রশাসনিক ও বিচারিক সংস্কার।
জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন।
অনুষ্ঠানের কার্যক্রম ও নেতৃবৃন্দের বক্তব্য
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
স্বাগত বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আজ একটি নতুন ইতিহাসের সূচনা হলো। জাতি আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তার এই নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে দেশ একটি নতুন বার্তা পাবে।”

অনুষ্ঠানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিদেশি কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ইশতেহারকে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেন।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শার উলাশীতে নুরুজ্জামান লিটনের সমর্থনে ধানের শীষের বিশাল পথসভা ও মিছিল

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা: ক্ষমতায় গেলে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার তারেক রহমানের

আপডেট: ০৬:২০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেদের উন্নয়ন ও সংস্কারের রূপরেখা সম্বলিত নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার তুলে ধরেন।

লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ইশতেহার ঘোষণার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ‘জুলাই সনদ’ অবশ্যই বাস্তবায়ন করা হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএনপি তার প্রতিষ্ঠার পর থেকে কখনোই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান দেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র অপবাদ থেকে মুক্ত করে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে খালেদা জিয়াও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।

বিএনপির এবারের ইশতেহারে মূলত রাষ্ট্র সংস্কার ও অর্থনৈতিক মুক্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ৯টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো:
‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান।
জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে প্রশাসনিক ও বিচারিক সংস্কার।
জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন।
অনুষ্ঠানের কার্যক্রম ও নেতৃবৃন্দের বক্তব্য
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
স্বাগত বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আজ একটি নতুন ইতিহাসের সূচনা হলো। জাতি আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তার এই নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে দেশ একটি নতুন বার্তা পাবে।”

অনুষ্ঠানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিদেশি কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ইশতেহারকে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেন।