১১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কাপাসিয়ায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৫:

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১০

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাঘটিয়া এলাকায় নির্বাচনী আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ঘটা এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘাঘটিয়া এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কার্যালয় পাশাপাশি অবস্থিত। ঘটনার সময় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা একটি মিছিল শেষ করে তাদের অফিসের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করছিলেন। একই সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীরাও সেখানে একটি মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।
এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। যা মুহূর্তেই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালীন উভয় দলের নির্বাচনী কার্যালয়ের আসবাবপত্র, চেয়ার ও টেবিল ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান দাবি করেছেন, জামায়াত কর্মীরা তাদের অফিসে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এতে তাদের দুইজন কর্মী গুরুতর আহত হন, যাদের একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, জামায়াত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে, তাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে উস্কানি দেওয়া হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আহতদের নাম নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
>”বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে একই জোটভুক্ত বা সমমনা এই দুই দলের মধ্যে এমন সংঘর্ষে এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শার উলাশীতে নুরুজ্জামান লিটনের সমর্থনে ধানের শীষের বিশাল পথসভা ও মিছিল

কাপাসিয়ায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৫:

আপডেট: ১১:০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার ঘাঘটিয়া এলাকায় নির্বাচনী আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ঘটা এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘাঘটিয়া এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কার্যালয় পাশাপাশি অবস্থিত। ঘটনার সময় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা একটি মিছিল শেষ করে তাদের অফিসের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করছিলেন। একই সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীরাও সেখানে একটি মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে।
এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। যা মুহূর্তেই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালীন উভয় দলের নির্বাচনী কার্যালয়ের আসবাবপত্র, চেয়ার ও টেবিল ভাঙচুর করা হয়।

সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান দাবি করেছেন, জামায়াত কর্মীরা তাদের অফিসে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এতে তাদের দুইজন কর্মী গুরুতর আহত হন, যাদের একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, জামায়াত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করেছে, তাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে উস্কানি দেওয়া হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আহতদের নাম নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান:
>”বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে একই জোটভুক্ত বা সমমনা এই দুই দলের মধ্যে এমন সংঘর্ষে এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।