১০:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দ্বিতীয় দিনেও অচল চট্টগ্রাম বন্দর

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:২২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৫

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে বন্দর এলাকা। শ্রমিক-কর্মচারীদের টানা ধর্মঘটের কারণে আজ রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের পণ্য ওঠানো-নামানোর কার্যক্রম প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

রোববার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘটে বন্দরের জেটি ও টার্মিনালগুলোতে কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং থমকে গেছে। এর আগে শনিবারও শ্রমিকদের ৮ ঘণ্টার ধর্মঘটে বন্দর অচল ছিল। জিসিবি টার্মিনালের অপারেটররা জানিয়েছেন, শ্রমিকরা কাজে না আসায় জেটিতে থাকা কনটেইনারবাহীসহ অন্তত চারটি জাহাজের পণ্য খালাস কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) শনিবার রাতে এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বন্দর এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। তবে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণাকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
এদিকে, আন্দোলনের মুখে কঠোর অবস্থানে গেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শ্রমিক দলের চারজন কর্মচারীকে পানগাঁও আইসিটিতে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। বদলি হওয়া কর্মচারীরা হলেন—
* মো. হুমায়ুন কবির (অডিট সহকারী)
* মো. ইব্রাহিম খোকন (ইঞ্জিন ড্রাইভার)
* মো. আনোয়ারুল আজিম (উচ্চ হিসাব সহকারী)
* মো. ফরিদুর রহমান (এস এস খালাসী)

চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, শুধু পণ্য খালাস নয়, আজ থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রমেও ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, জিসিবি, সিসিটি এবং এনসিটিসহ বন্দরের সব কটি টার্মিনালই বর্তমানে অচল। বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
উদ্ভূত পরিস্থিতি
টানা দুই দিনের এই অচলাবস্থায় আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বাধিক পঠিত

ষড়যন্ত্রের শিকার অনিন্দ্য ইসলাম অমিত: মধ্যরাতে বিতর্কিত স্টিকার সাঁটিয়ে অপপ্রচারের চেষ্টা

দ্বিতীয় দিনেও অচল চট্টগ্রাম বন্দর

আপডেট: ০৬:২২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে বন্দর এলাকা। শ্রমিক-কর্মচারীদের টানা ধর্মঘটের কারণে আজ রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের পণ্য ওঠানো-নামানোর কার্যক্রম প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

রোববার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘটে বন্দরের জেটি ও টার্মিনালগুলোতে কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং থমকে গেছে। এর আগে শনিবারও শ্রমিকদের ৮ ঘণ্টার ধর্মঘটে বন্দর অচল ছিল। জিসিবি টার্মিনালের অপারেটররা জানিয়েছেন, শ্রমিকরা কাজে না আসায় জেটিতে থাকা কনটেইনারবাহীসহ অন্তত চারটি জাহাজের পণ্য খালাস কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) শনিবার রাতে এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বন্দর এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। তবে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণাকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
এদিকে, আন্দোলনের মুখে কঠোর অবস্থানে গেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শ্রমিক দলের চারজন কর্মচারীকে পানগাঁও আইসিটিতে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। বদলি হওয়া কর্মচারীরা হলেন—
* মো. হুমায়ুন কবির (অডিট সহকারী)
* মো. ইব্রাহিম খোকন (ইঞ্জিন ড্রাইভার)
* মো. আনোয়ারুল আজিম (উচ্চ হিসাব সহকারী)
* মো. ফরিদুর রহমান (এস এস খালাসী)

চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, শুধু পণ্য খালাস নয়, আজ থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রমেও ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, জিসিবি, সিসিটি এবং এনসিটিসহ বন্দরের সব কটি টার্মিনালই বর্তমানে অচল। বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
উদ্ভূত পরিস্থিতি
টানা দুই দিনের এই অচলাবস্থায় আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে সরবরাহ চেইন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।