১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৫৯:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০৯

পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আইয়ুব আলী ও তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাঁদের তিনটি আলিশান বাড়িসহ বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানার দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরির সুযোগ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ এবং বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে মো. আইয়ুব আলী বিপুল সম্পদ গড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের নামেও বিভিন্ন সম্পদ ও ব্যবসায় বিনিয়োগের তথ্য রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন এলাকায় জমি ও বসতভিটা, একাধিক যানবাহন এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ও বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। এসব সম্পদের একটি অংশ বেনামে কিংবা অন্য ব্যক্তির নামে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁদের দৃশ্যমান আয়ের সঙ্গে কথিত বিপুল সম্পদের সামঞ্জস্য নেই। তবে এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, অর্থের উৎস এবং অভিযোগের অন্যান্য তথ্যের স্বাধীন যাচাই এই প্রতিবেদনে সম্ভব হয়নি।

মো. আইয়ুব আলী ও তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে অভিযোগ জমা পড়ার পরও তাঁদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

গুরুত্বপূর্ণ: মো. আইয়ুব আলী ও নাজনীন আক্তারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত প্রায় ৪০ কোটি টাকার সম্পদসহ সব অভিযোগ এখনো অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়া এসব অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

সর্বাধিক পঠিত

পুলিশের সহায়তায় ‘পিচ্চি রাজা’র পালানোর অভিযোগ, এসআইসহ গ্রেপ্তার ৩

পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ

আপডেট: ০৯:৫৯:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আইয়ুব আলী ও তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাঁদের তিনটি আলিশান বাড়িসহ বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানার দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরির সুযোগ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ এবং বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে মো. আইয়ুব আলী বিপুল সম্পদ গড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের নামেও বিভিন্ন সম্পদ ও ব্যবসায় বিনিয়োগের তথ্য রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন এলাকায় জমি ও বসতভিটা, একাধিক যানবাহন এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ও বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। এসব সম্পদের একটি অংশ বেনামে কিংবা অন্য ব্যক্তির নামে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁদের দৃশ্যমান আয়ের সঙ্গে কথিত বিপুল সম্পদের সামঞ্জস্য নেই। তবে এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, অর্থের উৎস এবং অভিযোগের অন্যান্য তথ্যের স্বাধীন যাচাই এই প্রতিবেদনে সম্ভব হয়নি।

মো. আইয়ুব আলী ও তাঁর স্ত্রী নাজনীন আক্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে অভিযোগ জমা পড়ার পরও তাঁদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

গুরুত্বপূর্ণ: মো. আইয়ুব আলী ও নাজনীন আক্তারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত প্রায় ৪০ কোটি টাকার সম্পদসহ সব অভিযোগ এখনো অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়া এসব অভিযোগকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।