০৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

দিনের মধ্যে নতুন ইকুইপমেন্ট ও টনপ্রতি ৫০ পয়সা মজুরি বৃদ্ধির আশ্বাস বেনাপোল বন্দরের শ্রমিকদের

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৯

বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন ইকুইপমেন্ট (ফর্কলিফট, ক্রেনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি) সংযোজন এবং টনপ্রতি মজুরি ৫০ পয়সা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন।

রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫-এর কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে এ তথ্য জানান ইউনিয়নের সভাপতি তবিবুর রহমান তবি ও সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী।

সমাবেশে ইউনিয়নের সভাপতি তবিবুর রহমান তবি বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ইউনিয়ন সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। বন্দর পরিচালকের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। এরপরও দাবি বাস্তবায়ন না হলে ইউনিয়নের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। সর্বশেষ বৈঠকে বন্দর পরিচালক আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন ইকুইপমেন্ট সংযোজন এবং টনপ্রতি ৫০ পয়সা মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং শ্রমিকদের কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন বলেন, শ্রমিকদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। বন্দরের কার্যক্রম আধুনিক ও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় নতুন ইকুইপমেন্ট সংযোজনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের টনপ্রতি ৫০ পয়সা মজুরি বৃদ্ধির বিষয়েও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। তিনি বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে শ্রমিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মজিদ ও মো. জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী ডাক্তার, শ্রমিক নেতা আবুল কাশেম, প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ মো. সবুজ হোসেন, লিংকন মেম্বার, সদস্য জামির হোসেনসহ ইউনিয়নের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ শ্রমিক।

সর্বাধিক পঠিত

চৌগাছা বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের দাবি

দিনের মধ্যে নতুন ইকুইপমেন্ট ও টনপ্রতি ৫০ পয়সা মজুরি বৃদ্ধির আশ্বাস বেনাপোল বন্দরের শ্রমিকদের

আপডেট: ০৩:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন ইকুইপমেন্ট (ফর্কলিফট, ক্রেনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি) সংযোজন এবং টনপ্রতি মজুরি ৫০ পয়সা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন।

রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন-৯২৫-এর কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে এ তথ্য জানান ইউনিয়নের সভাপতি তবিবুর রহমান তবি ও সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী।

সমাবেশে ইউনিয়নের সভাপতি তবিবুর রহমান তবি বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ইউনিয়ন সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। বন্দর পরিচালকের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। এরপরও দাবি বাস্তবায়ন না হলে ইউনিয়নের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। সর্বশেষ বৈঠকে বন্দর পরিচালক আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন ইকুইপমেন্ট সংযোজন এবং টনপ্রতি ৫০ পয়সা মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং শ্রমিকদের কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. শামীম হোসেন বলেন, শ্রমিকদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। বন্দরের কার্যক্রম আধুনিক ও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় নতুন ইকুইপমেন্ট সংযোজনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের টনপ্রতি ৫০ পয়সা মজুরি বৃদ্ধির বিষয়েও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। তিনি বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে শ্রমিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মজিদ ও মো. জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী ডাক্তার, শ্রমিক নেতা আবুল কাশেম, প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ মো. সবুজ হোসেন, লিংকন মেম্বার, সদস্য জামির হোসেনসহ ইউনিয়নের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ শ্রমিক।