১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ, বাংলাদেশে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৯

ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ার লিমিটেডের একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে পড়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে ইউনিটটিতে আকস্মিক কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুতই ইউনিটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ত্রুটি মেরামত করে পুনরায় উৎপাদন স্বাভাবিক করতে অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।

গত কয়েকদিন ধরে আদানি পাওয়ার থেকে বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ১,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সরবরাহ কমে প্রায় ৭৫০ থেকে ৭৭০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
এর ফলে জাতীয় গ্রিডে চাপ বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ভারতের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ মোট ১,৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে থাকে। ২০২৩ সালের মার্চে প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট এবং একই বছরের জুনে দ্বিতীয় ইউনিট থেকেও সমপরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

দুই ইউনিট চালু থাকলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই কেন্দ্রটি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গরমের সময় চাহিদা বেশি থাকায় লোডশেডিং আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত ইউনিটটি পুনরায় চালু না হলে সাময়িকভাবে জাতীয় গ্রিডে চাপ আরও বাড়বে এবং গ্রাহক পর্যায়ে এর প্রভাব পড়তে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ, বাংলাদেশে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা

আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ, বাংলাদেশে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা

আপডেট: ১০:২৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ার লিমিটেডের একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে পড়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে ইউনিটটিতে আকস্মিক কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুতই ইউনিটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ত্রুটি মেরামত করে পুনরায় উৎপাদন স্বাভাবিক করতে অন্তত ৩ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে।

গত কয়েকদিন ধরে আদানি পাওয়ার থেকে বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ১,৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে সরবরাহ কমে প্রায় ৭৫০ থেকে ৭৭০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
এর ফলে জাতীয় গ্রিডে চাপ বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ভারতের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ মোট ১,৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে থাকে। ২০২৩ সালের মার্চে প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট এবং একই বছরের জুনে দ্বিতীয় ইউনিট থেকেও সমপরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

দুই ইউনিট চালু থাকলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই কেন্দ্রটি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি ইউনিট বন্ধ থাকায় দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গরমের সময় চাহিদা বেশি থাকায় লোডশেডিং আরও বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত ইউনিটটি পুনরায় চালু না হলে সাময়িকভাবে জাতীয় গ্রিডে চাপ আরও বাড়বে এবং গ্রাহক পর্যায়ে এর প্রভাব পড়তে পারে।