০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর চেষ্টা: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী স্বামী আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • ৬২৭

জামালপুর শহরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে আলামত নষ্ট করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে শহরের দড়িপাড়া এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত স্বামী হোসেন তাইফুরকে আটক করেছে পুলিশ। স্বজনদের দাবি, তাইফুর সুপ্রিম কোর্টের একজন তালিকাভুক্ত আইনজীবী।
ঘটনার বিবরণ নিহত নারীর নাম তাহমিনা আক্তার তানিয়া। তিনি দুই সন্তানের জননী। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর আগে হোসেন তাইফুরের সাথে তানিয়ার বিয়ে হয়। তবে দীর্ঘ এক দশক ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে চরম কলহ চলছিল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঝগড়ার এক পর্যায়ে তাইফুর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তানিয়ার ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর অপরাধ আড়াল করতে তিনি বিছানায় তানিয়ার মরদেহ রেখে আগুন ধরিয়ে দেন। আগুনের ধোঁয়া ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখে প্রতিবেশীরা দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেয়।
উদ্ধার অভিযান ও গ্রেপ্তার ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভানোর পর ঘর থেকে তানিয়ার দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত স্বামী তাইফুরকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন সংবাদমাধ্যমকে বলেন:
> “খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত তাইফুরকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
>
স্বজনদের আহাজারি ও বিচার দাবি নিহত তানিয়ার স্বজনরা এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর ভেঙে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, তাইফুর পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। দুই এতিম সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এবং এই নৃশংসতার প্রতিবাদে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযুক্ত পুলিশ হেফাজতে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর চেষ্টা: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী স্বামী আটক

আপডেট: ১২:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

জামালপুর শহরে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে আলামত নষ্ট করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে শহরের দড়িপাড়া এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত স্বামী হোসেন তাইফুরকে আটক করেছে পুলিশ। স্বজনদের দাবি, তাইফুর সুপ্রিম কোর্টের একজন তালিকাভুক্ত আইনজীবী।
ঘটনার বিবরণ নিহত নারীর নাম তাহমিনা আক্তার তানিয়া। তিনি দুই সন্তানের জননী। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর আগে হোসেন তাইফুরের সাথে তানিয়ার বিয়ে হয়। তবে দীর্ঘ এক দশক ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে চরম কলহ চলছিল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঝগড়ার এক পর্যায়ে তাইফুর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তানিয়ার ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর অপরাধ আড়াল করতে তিনি বিছানায় তানিয়ার মরদেহ রেখে আগুন ধরিয়ে দেন। আগুনের ধোঁয়া ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখে প্রতিবেশীরা দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেয়।
উদ্ধার অভিযান ও গ্রেপ্তার ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভানোর পর ঘর থেকে তানিয়ার দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত স্বামী তাইফুরকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন সংবাদমাধ্যমকে বলেন:
> “খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত তাইফুরকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
>
স্বজনদের আহাজারি ও বিচার দাবি নিহত তানিয়ার স্বজনরা এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর ভেঙে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, তাইফুর পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। দুই এতিম সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এবং এই নৃশংসতার প্রতিবাদে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযুক্ত পুলিশ হেফাজতে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে।