১১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের হামলার অজুহাতে আল-আকসায় জুমার নামাজ বন্ধ করল ইসরায়েল

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩৪

ইরানের সাম্প্রতিক ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে নিরাপত্তা অজুহাত দেখিয়ে পবিত্র আল-আকসা মসজিদে শুক্রবারের জুমার নামাজ বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। পবিত্র রমজান মাস চলাকালীন এই নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞায় অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমসহ সমগ্র ফিলিস্তিনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ‘আল মুনাসিক’ প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই কঠোর বিধিনিষেধের কথা জানানো হয়। সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিশাম ইব্রাহিম জানান, ইরানের পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে জেরুজালেমের ওল্ড সিটির সমস্ত পবিত্র স্থান শুক্রবার বন্ধ থাকবে।
:
* পবিত্র আল-আকসা মসজিদ।
* ওয়েস্টার্ন ওয়াল (আল-বোরাক দেয়াল)।
* টেম্পল মাউন্ট ও চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকার।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা ও দোকানদার ছাড়া অন্য কোনো ধর্মাবলম্বী উপাসক বা দর্শনার্থীকে ওল্ড সিটির এই এলাকাগুলোতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন আল-আকসা মসজিদের সিনিয়র ইমাম শেখ ইকরিমা সাবরি। আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন:
> “দখলদার কর্তৃপক্ষ যুদ্ধের অজুহাতে আল-আকসা বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। রমজানের শুরু থেকেই তারা নামাজ আদায়ের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছিল, এখন তা চূড়ান্ত রূপ নিল।”
>
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে উভয় দেশে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে:
* ইরানের হামলায় ইসরায়েলে এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহত হয়েছেন।
* পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ২৩০ জনে।
ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি পরমাণু চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হলেও চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কারণে সেই প্রক্রিয়া এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ
রমজানের পবিত্রতম দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে না দেওয়ার এই সিদ্ধান্তে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে নতুন করে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠেছে। সাধারণ মানুষ ও ধর্মীয় সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপকে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

সর্বাধিক পঠিত

আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ, বাংলাদেশে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা

ইরানের হামলার অজুহাতে আল-আকসায় জুমার নামাজ বন্ধ করল ইসরায়েল

আপডেট: ১১:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

ইরানের সাম্প্রতিক ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে নিরাপত্তা অজুহাত দেখিয়ে পবিত্র আল-আকসা মসজিদে শুক্রবারের জুমার নামাজ বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। পবিত্র রমজান মাস চলাকালীন এই নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞায় অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমসহ সমগ্র ফিলিস্তিনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ‘আল মুনাসিক’ প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই কঠোর বিধিনিষেধের কথা জানানো হয়। সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিশাম ইব্রাহিম জানান, ইরানের পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে জেরুজালেমের ওল্ড সিটির সমস্ত পবিত্র স্থান শুক্রবার বন্ধ থাকবে।
:
* পবিত্র আল-আকসা মসজিদ।
* ওয়েস্টার্ন ওয়াল (আল-বোরাক দেয়াল)।
* টেম্পল মাউন্ট ও চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকার।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা ও দোকানদার ছাড়া অন্য কোনো ধর্মাবলম্বী উপাসক বা দর্শনার্থীকে ওল্ড সিটির এই এলাকাগুলোতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন আল-আকসা মসজিদের সিনিয়র ইমাম শেখ ইকরিমা সাবরি। আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন:
> “দখলদার কর্তৃপক্ষ যুদ্ধের অজুহাতে আল-আকসা বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। রমজানের শুরু থেকেই তারা নামাজ আদায়ের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছিল, এখন তা চূড়ান্ত রূপ নিল।”
>
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে উভয় দেশে ব্যাপক হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে:
* ইরানের হামলায় ইসরায়েলে এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহত হয়েছেন।
* পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ২৩০ জনে।
ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি পরমাণু চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হলেও চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কারণে সেই প্রক্রিয়া এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
ফিলিস্তিনিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ
রমজানের পবিত্রতম দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে না দেওয়ার এই সিদ্ধান্তে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে নতুন করে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠেছে। সাধারণ মানুষ ও ধর্মীয় সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপকে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে।