যশোরে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘চালডাল’-এর কর্মীদের বকেয়া বেতন নিয়ে গত কয়েকদিনের উত্তেজনা ও আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর্মীদের সকল যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে এবং তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজে ফিরেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে চালডালের সিইও মাহাবুব এমএম মুনতাসিন এবং হেড অব মার্কেটিং লুসবুন উদিতি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
:
* বকেয়া বেতন: ফান্ডিং জটিলতায় তৈরি হওয়া বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
* শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়: আন্দোলনে অংশ নেওয়া কোনো কর্মীর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রশাসনিক বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
* নিরাপত্তা: কর্মীদের নির্ভয়ে ও নিঃসংকোচে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সিইও মাহাবুব এমএম মুনতাসিন বলেন,
> “যশোর আমাদের কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। অভ্যন্তরীণ কিছু দাবি-দাওয়া নিয়ে কর্মীদের সঙ্গে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, আমরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তা নিরসন করেছি। পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে আমরা একটি সম্মানজনক সমঝোতায় পৌঁছেছি।”
>
প্রতিষ্ঠানের হেড অব মার্কেটিং লুসবুন উদিতি সাময়িক সেবা বিঘ্নিত হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “গ্রাহকরা এখন থেকে আগের চেয়েও দ্রুত ও উন্নত মানের ডেলিভারি সেবা পাবেন।”
কর্মীদের অবস্থান
আন্দোলনকারী কর্মীদের পক্ষে ফেরদৌস আজমীর বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি জানান, কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে তারা সন্তুষ্ট এবং কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজে ফিরছেন।
ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি রোধে একটি শক্তিশালী টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সিইও। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন চালডালের যুগ্ম পরিচালক শাহাদত হোসেন ও আজিজুর রহমান জিকো।





















