০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৬২১

যশোর শহরের মসজিদ লেন এলাকার ‘প্রিন্স আবাসিক হোটেল’ থেকে হারুন অর রশিদ (৫৪) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে হোটেলের ৩০৩ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হারুন অর রশিদ মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার মালোপাড়া এলাকার বাবুর্চি বাড়ির সামাদ বাবুর্চির ছেলে। তিনি ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় ‘শামীম প্লাস্টিক হাউজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক।

হোটেল সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মার্চ হারুন অর রশিদ ওই হোটেলে ওঠেন। বুধবার সন্ধ্যায় তাকে শেষবার কক্ষে দেখা গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তার চেকআউটের সময় হলে হোটেলের ওয়ার্ডবয় আব্দুল আওয়াল দরজায় দীর্ঘক্ষণ ধাক্কাধাক্কি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি নিকটস্থ পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন।

ঘটনাস্থলে পৌঁছানো পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ওয়াহিদুজ্জামান জানান, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা হারুন অর রশিদকে বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। মরদেহ উদ্ধারের সময় পাশে থাকা তার মোবাইল ফোনটি ‘ফ্লাইট মোড’ করা অবস্থায় পাওয়া যায়।
ফ্লাইট মোড বন্ধ করার সাথে সাথেই একটি কল আসে। কলটি রিসিভ করলে কলার নিজেকে নিহতের জামাতা আসাদুজ্জামান বলে পরিচয় দেন। শ্বশুরের মৃত্যুর খবর শুনে তারা মুন্সিগঞ্জ থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানিয়েছেন:
* প্রাথমিক সুরতহালে নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
* মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
* ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ মূলত প্লাস্টিক ও কাচের মালামালের পাইকারি ব্যবসার কাজে যশোরে অবস্থান করছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

যশোরে আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ০৫:২১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

যশোর শহরের মসজিদ লেন এলাকার ‘প্রিন্স আবাসিক হোটেল’ থেকে হারুন অর রশিদ (৫৪) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে হোটেলের ৩০৩ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত হারুন অর রশিদ মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার মালোপাড়া এলাকার বাবুর্চি বাড়ির সামাদ বাবুর্চির ছেলে। তিনি ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় ‘শামীম প্লাস্টিক হাউজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক।

হোটেল সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মার্চ হারুন অর রশিদ ওই হোটেলে ওঠেন। বুধবার সন্ধ্যায় তাকে শেষবার কক্ষে দেখা গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তার চেকআউটের সময় হলে হোটেলের ওয়ার্ডবয় আব্দুল আওয়াল দরজায় দীর্ঘক্ষণ ধাক্কাধাক্কি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি নিকটস্থ পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন।

ঘটনাস্থলে পৌঁছানো পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ওয়াহিদুজ্জামান জানান, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা হারুন অর রশিদকে বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন। মরদেহ উদ্ধারের সময় পাশে থাকা তার মোবাইল ফোনটি ‘ফ্লাইট মোড’ করা অবস্থায় পাওয়া যায়।
ফ্লাইট মোড বন্ধ করার সাথে সাথেই একটি কল আসে। কলটি রিসিভ করলে কলার নিজেকে নিহতের জামাতা আসাদুজ্জামান বলে পরিচয় দেন। শ্বশুরের মৃত্যুর খবর শুনে তারা মুন্সিগঞ্জ থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানিয়েছেন:
* প্রাথমিক সুরতহালে নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
* মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
* ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ মূলত প্লাস্টিক ও কাচের মালামালের পাইকারি ব্যবসার কাজে যশোরে অবস্থান করছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।