০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

রক্তক্ষয়ী সোমবারে কাঁপল পাকিস্তান: সিরিজ বোমা ও সংঘর্ষে শিশুসহ ১২ জন নিহত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৫

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়া আবারও রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে। গত সোমবার প্রদেশটির বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলা, মোটরসাইকেল বিস্ফোরণ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। আফগান সীমান্তবর্তী এই অস্থির অঞ্চলে নতুন করে সহিংসতার এই জোয়ারে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
বাজাউরে আত্মঘাতী হামলা: গুঁড়িয়ে গেল ভবন
সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনাটি ঘটেছে বাজাউর জেলায়। সেখানে একটি বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ি নিয়ে নিরাপত্তা চৌকিতে আত্মঘাতী হামলা চালায় বিদ্রোহীরা।
: এই হামলায় এক শিশুসহ ১১ জন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন।
বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে পাশের একটি ভবন ধসে পড়ে এক শিশু প্রাণ হারায়।
* আহত: নারী ও শিশুসহ আরও সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, হামলাকারী গাড়িটি একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেওয়ালে ধাক্কা দিলে ভেতরে অবস্থানরত পুলিশ ও ফ্রন্টিয়ার কোরের সদস্যরা হতাহত হন।
বান্নু ও শাংলায় পৃথক হামলা
একই দিনে বান্নু জেলায় একটি থানার সামনে রাখা মোটরসাইকেল বোমা বিস্ফোরণে ২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, শাংলা জেলায় বিদ্রোহীদের সঙ্গে পুলিশের তুমুল গোলাগুলি হয়েছে। পুলিশের দাবি, নিহত ৩ সশস্ত্র যোদ্ধা চীনা নাগরিকদের ওপর বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিল। এই অভিযানে ৩ পুলিশ সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন।
ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও পরিসংখ্যান
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাকিস্তানে স: পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসেই পাকিস্তানে সহিংসতায় ২ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
: ইসলামাবাদ সরাসরি অভিযোগ করেছে যে, এসব হামলার মূল হোতা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। পাকিস্তান সরকারের দাবি, টিটিপির শীর্ষ নেতারা বর্তমানে আফগানিস্তানের মাটিতে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকে এই নাশকতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

সর্বাধিক পঠিত

বিএনপির ধমনীতে জুলাই সনদ, অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হবে অক্ষরে অক্ষরে’—যশোরে আইনমন্ত্রী

রক্তক্ষয়ী সোমবারে কাঁপল পাকিস্তান: সিরিজ বোমা ও সংঘর্ষে শিশুসহ ১২ জন নিহত

আপডেট: ০২:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়া আবারও রক্তাক্ত হয়ে উঠেছে। গত সোমবার প্রদেশটির বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলা, মোটরসাইকেল বিস্ফোরণ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। আফগান সীমান্তবর্তী এই অস্থির অঞ্চলে নতুন করে সহিংসতার এই জোয়ারে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
বাজাউরে আত্মঘাতী হামলা: গুঁড়িয়ে গেল ভবন
সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনাটি ঘটেছে বাজাউর জেলায়। সেখানে একটি বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ি নিয়ে নিরাপত্তা চৌকিতে আত্মঘাতী হামলা চালায় বিদ্রোহীরা।
: এই হামলায় এক শিশুসহ ১১ জন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন।
বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে পাশের একটি ভবন ধসে পড়ে এক শিশু প্রাণ হারায়।
* আহত: নারী ও শিশুসহ আরও সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, হামলাকারী গাড়িটি একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেওয়ালে ধাক্কা দিলে ভেতরে অবস্থানরত পুলিশ ও ফ্রন্টিয়ার কোরের সদস্যরা হতাহত হন।
বান্নু ও শাংলায় পৃথক হামলা
একই দিনে বান্নু জেলায় একটি থানার সামনে রাখা মোটরসাইকেল বোমা বিস্ফোরণে ২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, শাংলা জেলায় বিদ্রোহীদের সঙ্গে পুলিশের তুমুল গোলাগুলি হয়েছে। পুলিশের দাবি, নিহত ৩ সশস্ত্র যোদ্ধা চীনা নাগরিকদের ওপর বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিল। এই অভিযানে ৩ পুলিশ সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন।
ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও পরিসংখ্যান
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাকিস্তানে স: পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসেই পাকিস্তানে সহিংসতায় ২ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
: ইসলামাবাদ সরাসরি অভিযোগ করেছে যে, এসব হামলার মূল হোতা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। পাকিস্তান সরকারের দাবি, টিটিপির শীর্ষ নেতারা বর্তমানে আফগানিস্তানের মাটিতে আশ্রয় নিয়ে সেখান থেকে এই নাশকতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।