০৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

যশোর-৪: জামায়াতের জয়ে কপাল পুড়ল ৬ প্রার্থীর, হারালেন জামানত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫০

(অভয়নগর-বাঘারপাড়া-বসুন্দিয়া) আসনে লড়াকু প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেও বড় ধাক্কা খেলেন অধিকাংশ প্রার্থী। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনই তাঁদের নির্বাচনী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় এই পরিণতি বরণ করতে হয়েছে তাঁদের।

যশোর-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. গোলাম রছুল (দাঁড়িপাল্লা) ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মতিয়ার রহমান ফারাজী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৯১৭ ভোট। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর ভোটের লড়াইয়ে বাকিরা পাত্তাই পাননি।

নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে তাঁর জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়।
যশোর-৪ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৫২৯ জন হলেও ভোট প্রদান করেছেন ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৮০ জন। সেই হিসেবে জামানত রক্ষার জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় ভোট ছিল ৪১ হাজার ৪২২টি। কিন্তু বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া বাকি ৬ প্রার্থীর কেউই এই লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে পারেননি।
জামানত হারানো প্রার্থীদের তালিকা ও প্রাপ্ত ভোট:
ভোটের হিসেবে যাদের কপাল পুড়েছে তারা হলেন:
বায়েজীদ হোসাইন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ১১,৮৩৮ ভোট
মো. জহুরুল হক (জাতীয় পার্টি): ১,৭৫১ ভোট
সুকৃতি কুমার মন্ডল (বিএমজেপি): ১,৫১০ ভোট
এম নাজিম উদ্দীন আল আজাদ (স্বতন্ত্র): ৭৯৭ ভোট
মও ওলানা আশেক এলাহী (খেলাফত মজলিস): ৩০১ ভোট
মো. আবুল কালাম গাজী (গণঅধিকার পরিষদ): ২৫৭ ভোট
বাঘারপাড়া ও অভয়নগর উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, কমিশনের কঠোর বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত কোটা পূরণ করতে না পারায় এই ৬ প্রার্থীর জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবার হামে শিশুমৃত্যু

যশোর-৪: জামায়াতের জয়ে কপাল পুড়ল ৬ প্রার্থীর, হারালেন জামানত

আপডেট: ১০:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

(অভয়নগর-বাঘারপাড়া-বসুন্দিয়া) আসনে লড়াকু প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝেও বড় ধাক্কা খেলেন অধিকাংশ প্রার্থী। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনই তাঁদের নির্বাচনী জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় এই পরিণতি বরণ করতে হয়েছে তাঁদের।

যশোর-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. গোলাম রছুল (দাঁড়িপাল্লা) ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯১২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মতিয়ার রহমান ফারাজী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৯১৭ ভোট। দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর ভোটের লড়াইয়ে বাকিরা পাত্তাই পাননি।

নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে তাঁর জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়।
যশোর-৪ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৫২৯ জন হলেও ভোট প্রদান করেছেন ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৮০ জন। সেই হিসেবে জামানত রক্ষার জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় ভোট ছিল ৪১ হাজার ৪২২টি। কিন্তু বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া বাকি ৬ প্রার্থীর কেউই এই লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে পারেননি।
জামানত হারানো প্রার্থীদের তালিকা ও প্রাপ্ত ভোট:
ভোটের হিসেবে যাদের কপাল পুড়েছে তারা হলেন:
বায়েজীদ হোসাইন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ): ১১,৮৩৮ ভোট
মো. জহুরুল হক (জাতীয় পার্টি): ১,৭৫১ ভোট
সুকৃতি কুমার মন্ডল (বিএমজেপি): ১,৫১০ ভোট
এম নাজিম উদ্দীন আল আজাদ (স্বতন্ত্র): ৭৯৭ ভোট
মও ওলানা আশেক এলাহী (খেলাফত মজলিস): ৩০১ ভোট
মো. আবুল কালাম গাজী (গণঅধিকার পরিষদ): ২৫৭ ভোট
বাঘারপাড়া ও অভয়নগর উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, কমিশনের কঠোর বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত কোটা পূরণ করতে না পারায় এই ৬ প্রার্থীর জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।