১০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে হাসনাত আব্দুল্লাহর হুংকার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬২

যশোরের ভৈরব চত্বরে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রধান সমন্বয়কারী হাসনাত আব্দুল্লাহ ১২ তারিখের নির্বাচনকে আধিপত্যবাদ থেকে মুক্তি ও রাষ্ট্রগঠনের লড়াই হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, “আগামী ১২ তারিখ সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে এবং ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে। সেদিনই যশোরবাসী নিজেদের বিজয় নিশ্চিত করবে।”

স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, যারা জমি দখল এবং টেন্ডারবাজির সাথে জড়িত, তারাই আজ পরিবর্তনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “তাদের আচরণেই স্পষ্ট বোঝা যায় তারা ক্ষমতায় গেলে কী করবে। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” তিনি ‘দাড়িপাল্লা’ ও ‘শাপলা কলি’র বিজয় নিশ্চিত করে সবাইকে নিয়ে একটি ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য: “হাসনাত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র”
সভায় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের শরিক দল জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ভিপি আব্দুল কাদের হাসনাত আব্দুল্লাহর ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন:
> “হাসনাত শুধু একজন ব্যক্তির নাম নয়—হাসনাত আব্দুল্লাহ অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতীক। যশোরবাসী আর চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও নারী নির্যাতনকারীদের দেখতে চায় না। ১২ তারিখে জনগণের শক্তিতেই তাদের লালকার্ড দেখানো হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সাকিব শাহরিয়ার। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রধান সমন্বয়কারী নুরুজ্জামান। সভা শেষে ভৈরব চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য নির্বাচনী মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে।
জনসমাগম ও নিরাপত্তা:
হাসনাত আব্দুল্লাহর আগমন ঘিরে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।
শহর জুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।
পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার ছিল।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে পথসভা ও শুভেচ্ছা মিছিল

যশোরে হাসনাত আব্দুল্লাহর হুংকার

আপডেট: ০৩:৪১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোরের ভৈরব চত্বরে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রধান সমন্বয়কারী হাসনাত আব্দুল্লাহ ১২ তারিখের নির্বাচনকে আধিপত্যবাদ থেকে মুক্তি ও রাষ্ট্রগঠনের লড়াই হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, “আগামী ১২ তারিখ সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে এবং ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পাহারা দিতে হবে। সেদিনই যশোরবাসী নিজেদের বিজয় নিশ্চিত করবে।”

স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, যারা জমি দখল এবং টেন্ডারবাজির সাথে জড়িত, তারাই আজ পরিবর্তনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “তাদের আচরণেই স্পষ্ট বোঝা যায় তারা ক্ষমতায় গেলে কী করবে। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” তিনি ‘দাড়িপাল্লা’ ও ‘শাপলা কলি’র বিজয় নিশ্চিত করে সবাইকে নিয়ে একটি ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য: “হাসনাত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র”
সভায় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের শরিক দল জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ভিপি আব্দুল কাদের হাসনাত আব্দুল্লাহর ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন:
> “হাসনাত শুধু একজন ব্যক্তির নাম নয়—হাসনাত আব্দুল্লাহ অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতীক। যশোরবাসী আর চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও নারী নির্যাতনকারীদের দেখতে চায় না। ১২ তারিখে জনগণের শক্তিতেই তাদের লালকার্ড দেখানো হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সাকিব শাহরিয়ার। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রধান সমন্বয়কারী নুরুজ্জামান। সভা শেষে ভৈরব চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য নির্বাচনী মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে।
জনসমাগম ও নিরাপত্তা:
হাসনাত আব্দুল্লাহর আগমন ঘিরে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।
শহর জুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।
পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার ছিল।