০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সংকটে কঠোর সিদ্ধান্ত সরকারের: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিশেষ নির্দেশনা ও বরাদ্দ হ্রাস

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪৩

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। জ্বালানি খাতে বরাদ্দ হ্রাসসহ উৎপাদন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেওয়া হয়েছে বিশেষ কিছু জরুরি পদক্ষেপ।
সরকারের নেওয়া প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:
জ্বালানি বরাদ্দ হ্রাস: পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি বরাদ্দে ১০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
* সার কারখানা ও শিল্পে নিয়ন্ত্রণ: কৃষি খাতের প্রয়োজনে সিলেট ছাড়া দেশের অন্যান্য সব সার কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
* মজুতদারি ও চোরাচালান রোধ: জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে অসাধু চক্র যাতে মজুতদারি বা চোরাচালান করতে না পারে, সেজন্য মাঠে নামানো হয়েছে বিশেষ ‘ভিজিল্যান্স টিম’।
* বিক্রয় নীতি: খোলা ড্রাম বা কনটেইনারে জ্বালানি বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আ
৷ আরোপ করা হয়েছে।
* আন্তর্জাতিক যোগাযোগ: জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানির লক্ষ্যে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও চীনের সরবরাহকারীদের সঙ্গে জোর আলোচনা চলছে।
সাশ্রয়ী জীবনযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান:
জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে সরকার দেশবাসীকে ব্যক্তিগত যাতায়াত কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে উদাহরণ তৈরি করতে তাঁর দপ্তরে ৫০ শতাংশ বাতি নিভিয়ে রেখেছেন এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করেছেন।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় অবিলম্বে সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে গ্যাসের অপচয় রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, সব ধরনের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।
সরকার মনে করছে, এই বৈশ্বিক সংকটে জাতীয় স্বার্থে প্রতিটি নাগরিককে সাশ্রয়ী হতে হবে। অন্যথায়, আগামী দিনগুলো দেশের জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

আপনাদের কারণেই আওয়ামী লীগ ফিরবে”—শিবিরকে নিয়ে রাশেদ খানের সমালোচনা

জ্বালানি সংকটে কঠোর সিদ্ধান্ত সরকারের: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিশেষ নির্দেশনা ও বরাদ্দ হ্রাস

আপডেট: ০৪:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। জ্বালানি খাতে বরাদ্দ হ্রাসসহ উৎপাদন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেওয়া হয়েছে বিশেষ কিছু জরুরি পদক্ষেপ।
সরকারের নেওয়া প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:
জ্বালানি বরাদ্দ হ্রাস: পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি বরাদ্দে ১০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
* সার কারখানা ও শিল্পে নিয়ন্ত্রণ: কৃষি খাতের প্রয়োজনে সিলেট ছাড়া দেশের অন্যান্য সব সার কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
* মজুতদারি ও চোরাচালান রোধ: জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে অসাধু চক্র যাতে মজুতদারি বা চোরাচালান করতে না পারে, সেজন্য মাঠে নামানো হয়েছে বিশেষ ‘ভিজিল্যান্স টিম’।
* বিক্রয় নীতি: খোলা ড্রাম বা কনটেইনারে জ্বালানি বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আ
৷ আরোপ করা হয়েছে।
* আন্তর্জাতিক যোগাযোগ: জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানির লক্ষ্যে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও চীনের সরবরাহকারীদের সঙ্গে জোর আলোচনা চলছে।
সাশ্রয়ী জীবনযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান:
জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে সরকার দেশবাসীকে ব্যক্তিগত যাতায়াত কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে উদাহরণ তৈরি করতে তাঁর দপ্তরে ৫০ শতাংশ বাতি নিভিয়ে রেখেছেন এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করেছেন।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় অবিলম্বে সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে গ্যাসের অপচয় রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, সব ধরনের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।
সরকার মনে করছে, এই বৈশ্বিক সংকটে জাতীয় স্বার্থে প্রতিটি নাগরিককে সাশ্রয়ী হতে হবে। অন্যথায়, আগামী দিনগুলো দেশের জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।