ধর্ম ডেস্ক: বছর ঘুরে আবারও মুসলিম উম্মাহর মাঝে ফিরে এল পবিত্র মাহে রমজান। আত্মশুদ্ধি আর সংযমের এই মাসে মুসলিমরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার খাবার, পানাহার এবং ভোগ-বিলাস থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন। আজ প্রথম রোজায় ইফতারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন ধর্মপ্রাণ মুমিনরা।
রমজানের প্রথম দশ দিন হলো রহমতের। প্রথম রোজার মাধ্যমে আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভের আশায় রোজাদাররা সারাদিন ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকেন। সারাদিন ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত থাকার পর সূর্যাস্তের সময় মহান আল্লাহর দেওয়া রিযিকের সামনে বসা রোজাদারের জন্য এক পরম আনন্দের মুহূর্ত। হাদিস শরিফে আছে, ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া কবুল হয়।
সূর্যাস্তের পর আজানের সাথে সাথে ইফতার করা সুন্নত। ইফতারের সময় নির্দিষ্ট দোয়া পড়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। ইফতারের সময় যে দোয়াটি পড়তে হয়:
اللهم لك صمت و على رزقك افطرت> উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমার প্রদত্ত রিযিকের মাধ্যমে ইফতার করছি।
প্রথম রোজার ইফতারকে ঘিরে ঘরে ঘরে এবং মসজিদে বিশেষ আনন্দ কাজ করে। খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার শুরু করা সুন্নত। পরিবারের সকলে মিলে একসাথে বসে ইফতার করার মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়। তবে সংযমের এই মাসে ইফতারে বাহুল্য বর্জন করে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রথম রমজানের বিশেষ আমল
বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা। ইফতারের আগমুহূর্তে তওবা ও ইস্তিগফার পড়া।সাধ্যমতো দুস্থদের ইফতারে শরিক করা।
মহান আল্লাহ আমাদের প্রথম রোজা কবুল করুন এবং ইফতারের মাধ্যমে তাঁর অফুরন্ত রিযিকের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের তৌফিক দান করুন।




















