০৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের চেষ্টা: বঙ্গোপসাগরে বোটসহ ১১ চোরাকারবারিকে আটক করল নৌবাহিনী

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৪

চট্টগ্রাম মিয়ানমারে অবৈধভাবে সিমেন্ট পাচারের সময় বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন সংলগ্ন এলাকা থেকে ৭৪০ বস্তা সিমেন্টসহ একটি ইঞ্জিনচালিত বোট জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ সময় পাচারকাজে জড়িত ১১ জন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর সমুদ্রে নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল চলাকালে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, সমুদ্রপথে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশি সিমেন্ট মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। টহলরত নৌবাহিনী জাহাজ ‘প্রত্যাশা’ সেন্টমার্টিন বাতিঘর থেকে প্রায় ৩১ মাইল দূরে একটি সন্দেহজনক বোট দেখতে পায়। নৌসদস্যরা বোটটিকে থামার সংকেত দিলে সেটি পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামক বোটটিকে আটক করা হয়।

আটককৃত বোটটি তল্লাশি করে ৭৪০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ১১ জন জানায়:
* গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে চট্টগ্রামের ফিশারী ঘাট থেকে বোটটি যাত্রা শুরু করে।
* সন্দ্বীপ চ্যানেলের জোড়াবয়া এলাকা থেকে সিমেন্টগুলো লোড করা হয়।
* অধিক মুনাফার আশায় এই বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট মিয়ানমারের সীতা এলাকায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল তাদের।

জব্দকৃত মালামাল ও আটককৃত ব্যক্তিদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে নৌবাহিনীর ফরোয়ার্ড বেইজ সেন্টমার্টিনে হস্তান্তর করা হয়েছে।
> নৌবাহিনীর বক্তব্য: সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস দমনে নৌবাহিনীর এই ধরনের কঠোর অভিযান ও নিয়মিত টহল অব্যাহত থাকবে।
>

সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বেনাপোলে শ্রমিকদের বিশাল আনন্দ র‍্যালি

মিয়ানমারে সিমেন্ট পাচারের চেষ্টা: বঙ্গোপসাগরে বোটসহ ১১ চোরাকারবারিকে আটক করল নৌবাহিনী

আপডেট: ০৪:০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম মিয়ানমারে অবৈধভাবে সিমেন্ট পাচারের সময় বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন সংলগ্ন এলাকা থেকে ৭৪০ বস্তা সিমেন্টসহ একটি ইঞ্জিনচালিত বোট জব্দ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ সময় পাচারকাজে জড়িত ১১ জন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর সমুদ্রে নৌবাহিনীর নিয়মিত টহল চলাকালে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

নৌবাহিনী সূত্র জানায়, সমুদ্রপথে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশি সিমেন্ট মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। টহলরত নৌবাহিনী জাহাজ ‘প্রত্যাশা’ সেন্টমার্টিন বাতিঘর থেকে প্রায় ৩১ মাইল দূরে একটি সন্দেহজনক বোট দেখতে পায়। নৌসদস্যরা বোটটিকে থামার সংকেত দিলে সেটি পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে ‘এফবি রুনা আক্তার’ নামক বোটটিকে আটক করা হয়।

আটককৃত বোটটি তল্লাশি করে ৭৪০ বস্তা বাংলাদেশি ডায়মন্ড সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ১১ জন জানায়:
* গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে চট্টগ্রামের ফিশারী ঘাট থেকে বোটটি যাত্রা শুরু করে।
* সন্দ্বীপ চ্যানেলের জোড়াবয়া এলাকা থেকে সিমেন্টগুলো লোড করা হয়।
* অধিক মুনাফার আশায় এই বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট মিয়ানমারের সীতা এলাকায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল তাদের।

জব্দকৃত মালামাল ও আটককৃত ব্যক্তিদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে নৌবাহিনীর ফরোয়ার্ড বেইজ সেন্টমার্টিনে হস্তান্তর করা হয়েছে।
> নৌবাহিনীর বক্তব্য: সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস দমনে নৌবাহিনীর এই ধরনের কঠোর অভিযান ও নিয়মিত টহল অব্যাহত থাকবে।
>