বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর বিভিন্ন দেশ থেকে আগত উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ও কূটনীতিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের বিশেষ লাউঞ্জে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সৌদি আরব ও কাতারসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং বিশেষ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা বাংলাদেশের নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানান এবং গণতন্ত্রের নতুন যাত্রায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের পক্ষ থেকে পাঠানো অভিনন্দন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। তারা বাংলাদেশের নতুন প্রশাসনের সাথে অর্থনৈতিক, কৌশলগত এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:
ওম বিড়লা: ভারতের লোকসভার স্পিকার (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ বার্তা নিয়ে)।
বিক্রম মিশ্রি: ভারতের পররাষ্ট্র সচিব।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপদস্থ কূটনীতিক এবং ঢাকাস্থ বিদেশি মিশনের প্রধানগণ।
প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যয়
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদেশি অতিথিদের ধন্যবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, তার সরকার “সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়”—এই নীতিতে বিশ্বাসী। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেন। বিশেষ করে রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তির আদান-প্রদানে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সাথে নতুন করে অংশীদারিত্ব গড়ার ওপর জোর দেন তিনি।
বিদেশি অতিথিরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রশংসা করেন এবং নির্বাচনী ম্যান্ডেট অনুযায়ী জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে নতুন সরকার সফল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই সৌজন্য সাক্ষাৎ নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।




















