১০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানে চেকপয়েন্টে আত্মঘাতী হামলা: ১১ সেনা ও এক শিশু নিহত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগান সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখওয়া প্রদেশের বাজাউর জেলায় এক ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ১১ সদস্য এবং এক শিশু নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি নিয়ে চালানো এই হামলায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় স্থানীয় একটি চেকপোস্ট।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ শাখা (ISPR) জানিয়েছে, সোমবার রাতে বাজাউর জেলার একটি জয়েন্ট চেকপোস্ট লক্ষ্য করে জঙ্গিরা হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা বিস্ফোরক ভর্তি একটি গাড়ি নিয়ে চেকপোস্টের সীমানা প্রাচীরে সজোরে ধাক্কা দিলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে।
* নিহত: ১১ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং পাশের একটি ভবন ধসে এক কন্যাশিশু নিহত হয়।
* আহত: নারী ও শিশুসহ আরও অন্তত সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
* অবকাঠামো: বিস্ফোরণের তীব্রতায় চেকপোস্টের বড় একটি অংশ ধসে পড়েছে এবং সংলগ্ন আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সেনাবাহিনীর পাল্টা অভিযান
হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, আত্মরক্ষামূলক ও চিরুনি অভিযানে অন্তত ১২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। বর্তমানে পুরো এলাকাটি ঘিরে রেখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই হামলার পেছনে “ভারতীয় মদতপুষ্ট” গোষ্ঠীগুলোর হাত থাকতে পারে বলে দাবি করেছে।

খাইবার পাখতুনখওয়া প্রদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জঙ্গি হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। একটি পাকিস্তানি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক
২০২৪ সালে: জঙ্গি হামলায় নিহতের সংখ্যা ছিল ১৬২০ জন।
২০২৫ সালে: এই সংখ্যা প্রায় ৪৪% বৃদ্ধি পেয়ে ২৩৩১ জনে দাঁড়িয়েছে।
বলা হচ্ছে, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সীমান্ত এলাকায় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সহ অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তৎপরতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগ কার্যালয়ে হঠাৎ শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর ব্যানার:

পাকিস্তানে চেকপয়েন্টে আত্মঘাতী হামলা: ১১ সেনা ও এক শিশু নিহত

আপডেট: ০৮:৪৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগান সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখওয়া প্রদেশের বাজাউর জেলায় এক ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ১১ সদস্য এবং এক শিশু নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি নিয়ে চালানো এই হামলায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় স্থানীয় একটি চেকপোস্ট।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ শাখা (ISPR) জানিয়েছে, সোমবার রাতে বাজাউর জেলার একটি জয়েন্ট চেকপোস্ট লক্ষ্য করে জঙ্গিরা হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা বিস্ফোরক ভর্তি একটি গাড়ি নিয়ে চেকপোস্টের সীমানা প্রাচীরে সজোরে ধাক্কা দিলে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে।
* নিহত: ১১ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং পাশের একটি ভবন ধসে এক কন্যাশিশু নিহত হয়।
* আহত: নারী ও শিশুসহ আরও অন্তত সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
* অবকাঠামো: বিস্ফোরণের তীব্রতায় চেকপোস্টের বড় একটি অংশ ধসে পড়েছে এবং সংলগ্ন আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সেনাবাহিনীর পাল্টা অভিযান
হামলার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, আত্মরক্ষামূলক ও চিরুনি অভিযানে অন্তত ১২ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। বর্তমানে পুরো এলাকাটি ঘিরে রেখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই হামলার পেছনে “ভারতীয় মদতপুষ্ট” গোষ্ঠীগুলোর হাত থাকতে পারে বলে দাবি করেছে।

খাইবার পাখতুনখওয়া প্রদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জঙ্গি হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। একটি পাকিস্তানি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক
২০২৪ সালে: জঙ্গি হামলায় নিহতের সংখ্যা ছিল ১৬২০ জন।
২০২৫ সালে: এই সংখ্যা প্রায় ৪৪% বৃদ্ধি পেয়ে ২৩৩১ জনে দাঁড়িয়েছে।
বলা হচ্ছে, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সীমান্ত এলাকায় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সহ অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তৎপরতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।