রাত পোহালেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনে উৎসবমুখর আমেজের পাশাপাশি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা। জেলা পুলিশের তথ্যমতে, জেলার মোট ৮২৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩০২টি কেন্দ্রই ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা মোট কেন্দ্রের প্রায় ৩৬.৬৫ শতাংশ। এর মধ্যে ৭১টি কেন্দ্রকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ তালিকায় রেখে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি উত্তাপ ছড়াচ্ছে যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসন। এখানে ১২৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯৩টিই ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যান্য আসনের চিত্র নিম্নরূপ:
* যশোর-১ (শার্শা): ৫১টি কেন্দ্র।
* যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): ৪৫টি কেন্দ্র।
* যশোর-৩ (সদর): ৫০টি কেন্দ্র।
* যশোর-৪ (বাঘারপাড়া): ৪২টি কেন্দ্র।
* যশোর-৬ (কেশবপুর): ২১টি কেন্দ্র।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে হাই-টেক ব্যবস্থা
যশোর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী এলাকা, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত অঞ্চল এবং গত নির্বাচনে সহিংসতা হওয়া কেন্দ্রগুলোকে লাল তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবার যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি:
* প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন।
* ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে অনলাইন সিসিটিভি ও দায়িত্বরতদের শরীরে বডি ক্যামেরা।
* পুলিশের পাশাপাশি মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী, র্যাব ও বিজিবি’র স্ট্রাইকিং ফোর্স।
নির্বাচন নিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, “আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটের প্রত্যাশা করছি। তবে জনগণের রায় ছিনতাই বা নির্বাচন বানচালের যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।” অন্যদিকে, জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন বিশ্বাস জানান, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে তারা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সতর্ক অবস্থানে থাকবেন।




















