রহমত ও মাগফিরাতের বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবার ফিরে এলো পবিত্র লাইলাতুল বারাআত বা শবেবরাত। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে সারাদেশে পালিত হবে এই মহিমান্বিত রজনী। মুসলিম উম্মাহর কাছে এটি ভাগ্য রজনী ও গুনাহ থেকে মুক্তির রাত হিসেবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আজ রাতভর কুরআন তিলাওয়াত, ওয়াজ ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
: শবেবরাতের ফজিলত ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করবেন মুফতি মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী।
: শবেবরাতের শিক্ষা ও করণীয় বিষয়ে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান।
জিকির ও নফল ইবাদতের জন্য বায়তুল মোকাররম মসজিদ মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
: আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হবে। মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি এবং ইসলামিক মিশন কেন্দ্রগুলোতেও অনুরূপ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এদিন নফল নামাজ, তসবিহ পাঠ ও মৃত স্বজনদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মাগফিরাত কামনায় মশগুল থাকবেন।
ইসলামি দর্শনে শবেবরাত হলো আত্মসমালোচনা ও তাকদির সংশোধনের এক অনন্য সন্ধিক্ষণ। হাদিস শরিফে এসেছে, আল্লাহ তাআলা এই রাতে মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া বাকিদের ক্ষমা করে দেন।
সতর্কবার্তা: শবেবরাত উপলক্ষে আতশবাজি, পটকা ফোটানো, আলোকসজ্জা বা উচ্চশব্দে হৈ-হুল্লোড় করা ইসলামের আদর্শের পরিপন্থী। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে ইবাদত করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।


















