০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নারীদের হাতে ঝাড়ু কেন? ছাত্রদল ও বামপন্থিদের মিছিলে লিঙ্গ বৈষম্যের প্রশ্নে সরব সর্বমিত্র চাকমা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৫

জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো। ওই পোস্টের প্রতিবাদে ছাত্রদল ও বিভিন্ন বামপন্থি সংগঠনের মিছিলে নারী নেত্রীদের হাতে ‘ঝাড়ু’ থাকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সদস্য সর্বমিত্র চাকমা।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে আন্দোলনের ধরণ ও তাতে নারীর ভূমিকা নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন তিনি।

সর্বমিত্র চাকমা তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, কর্মজীবী নারীদের নিয়ে ড. শফিকুর রহমানের মন্তব্য নারী জাতির জন্য সরাসরি অসম্মানজনক। তবে সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে নারীদের হাতে ঝাড়ু তুলে দেওয়াকে তিনি যুগের পর যুগ চলে আসা ‘নারীকে দাসে রূপান্তর করার মানসিকতা’ হিসেবে দেখছেন।
সর্বমিত্র চাকমার ফেসবুক পোস্টের মূল বক্তব্য:
বৈষম্যের চিত্র: তিনি প্রশ্ন তোলেন, “ঝাড়ু কেন স্রেফ নারী নেত্রীর হাতে থাকবে, পুরুষ নেতার হাতে কেন নয়?”
* দায়িত্ব ভাগাভাগি: তাঁর মতে, গৃহস্থালির কাজ বা হাতে ঝাড়ু ধরা কেবল নারীর একার দায়িত্ব নয়।
বামপন্থিদের প্রতি হতাশা: বিশেষ করে প্রগতিশীল রাজনীতির দাবিদার বাম সংগঠনগুলোর মিছিলে এমন চিত্র দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “বামেদের থেকে এটলিস্ট আমি এটা আশা করিনি।”

পেশাগত ও শিক্ষাগত অবস্থানের কথা উল্লেখ করে সর্বমিত্র চাকমা আরও বলেন, “আমি সমাজবিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে সমাজ পর্যবেক্ষণ করে কথা বলি। আমার কথা পলিটিকালি না নেওয়ার অনুরোধ করছি।”
পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয় এবং মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে এক হাজারেরও বেশি মন্তব্য জমা পড়ে। নেটিজেনদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে—কেউ কেউ তাঁর চিন্তাধারার প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ ভিন্ন মত পোষণ করেছেন।

সম্প্রতি জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমানের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের দাবি, ওই পোস্টটি নারীদের কর্মসংস্থান ও মর্যাদা নিয়ে নেতিবাচক ইঙ্গিত প্রদান করেছে। তবে প্রতিবাদের এই ‘ঝাড়ু মিছিল’ প্রতীকটি লিঙ্গীয় স্টিরিওটাইপকে উসকে দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হলো।

সর্বাধিক পঠিত

এক দিনেই দুই দফা ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ:

নারীদের হাতে ঝাড়ু কেন? ছাত্রদল ও বামপন্থিদের মিছিলে লিঙ্গ বৈষম্যের প্রশ্নে সরব সর্বমিত্র চাকমা

আপডেট: ০৬:১৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো। ওই পোস্টের প্রতিবাদে ছাত্রদল ও বিভিন্ন বামপন্থি সংগঠনের মিছিলে নারী নেত্রীদের হাতে ‘ঝাড়ু’ থাকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সদস্য সর্বমিত্র চাকমা।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে আন্দোলনের ধরণ ও তাতে নারীর ভূমিকা নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন তিনি।

সর্বমিত্র চাকমা তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, কর্মজীবী নারীদের নিয়ে ড. শফিকুর রহমানের মন্তব্য নারী জাতির জন্য সরাসরি অসম্মানজনক। তবে সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে নারীদের হাতে ঝাড়ু তুলে দেওয়াকে তিনি যুগের পর যুগ চলে আসা ‘নারীকে দাসে রূপান্তর করার মানসিকতা’ হিসেবে দেখছেন।
সর্বমিত্র চাকমার ফেসবুক পোস্টের মূল বক্তব্য:
বৈষম্যের চিত্র: তিনি প্রশ্ন তোলেন, “ঝাড়ু কেন স্রেফ নারী নেত্রীর হাতে থাকবে, পুরুষ নেতার হাতে কেন নয়?”
* দায়িত্ব ভাগাভাগি: তাঁর মতে, গৃহস্থালির কাজ বা হাতে ঝাড়ু ধরা কেবল নারীর একার দায়িত্ব নয়।
বামপন্থিদের প্রতি হতাশা: বিশেষ করে প্রগতিশীল রাজনীতির দাবিদার বাম সংগঠনগুলোর মিছিলে এমন চিত্র দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, “বামেদের থেকে এটলিস্ট আমি এটা আশা করিনি।”

পেশাগত ও শিক্ষাগত অবস্থানের কথা উল্লেখ করে সর্বমিত্র চাকমা আরও বলেন, “আমি সমাজবিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে সমাজ পর্যবেক্ষণ করে কথা বলি। আমার কথা পলিটিকালি না নেওয়ার অনুরোধ করছি।”
পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয় এবং মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে এক হাজারেরও বেশি মন্তব্য জমা পড়ে। নেটিজেনদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে—কেউ কেউ তাঁর চিন্তাধারার প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ ভিন্ন মত পোষণ করেছেন।

সম্প্রতি জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমানের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের দাবি, ওই পোস্টটি নারীদের কর্মসংস্থান ও মর্যাদা নিয়ে নেতিবাচক ইঙ্গিত প্রদান করেছে। তবে প্রতিবাদের এই ‘ঝাড়ু মিছিল’ প্রতীকটি লিঙ্গীয় স্টিরিওটাইপকে উসকে দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হলো।